চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডকে ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পিত খুন বলে দাবি শুভেন্দুর, পরিবারের পাশে বিজেপি
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে বুধবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে গুলি করে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকে সঙ্গে নিয়ে মধ্যমগ্রামের হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, এটি ঠান্ডা মাথায় পূর্ব পরিকল্পিত খুন। তিনি দলের কর্মীদের আইন হাতে না তুলে শান্ত থাকার বার্তা দিয়েছেন।
মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়া এলাকায় বাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা চন্দ্রনাথের গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। গাড়িতে চন্দ্রনাথের সঙ্গে ছিলেন বুদ্ধদেব বেরা। তাঁদের দু'জনকেই স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা চন্দ্রনাথকে মৃত ঘোষণা করেন। আশঙ্কাজনক বুদ্ধদেবকে কলকাতার ইএম বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

ঘটনা প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ''এই মুহূর্তে আমরা চূড়ান্ত কিছু বলছি না। ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত এডিজি এবং আইজি-কে নিয়ে নিজে এসেছিলেন। তাঁরা আমাকে এবং সুকান্তবাবুকে আশ্বস্ত করেছেন যে, পুলিশ সিসিটিভি-র সূত্রে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পেয়েছে। খুব শিগগরিই দোষীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হবে।’’ তিনি আরও যোগ করেন, ''এটা ঠান্ডা মাথায় পূর্ব পরিকল্পিত খুন।’’
জানা গেছে, চন্দ্রনাথের ফ্ল্যাটের অদূরেই হামলা চালানো হয়। আততায়ীরা তাঁর বাড়ি ঢোকার মুখে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল। একটি ছোট গাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল এবং স্করপিও গাড়িটি কাছে আসতেই পথ আটকে পরপর গুলি চালানো হয়। এরপর দুষ্কৃতীরা বাইকে চড়ে ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। পুলিশ সূত্রে খবর, একাধিক সিসিটিভি ফুটেজে আততায়ীদের পালিয়ে যাওয়ার ছবি স্পষ্ট দেখা গিয়েছে।
শুভেন্দু অধিকারী জানান যে, তাঁর আপ্ত সহায়ককে বেশ কয়েক দিন ধরে "রেইকি" করে পরিকল্পনামাফিক খুন করা হয়েছে। ভুয়ো নম্বর প্লেট লাগানো গাড়ি নিয়ে দু-তিন দিন ধরে এলাকায় রেইকি চালানো হয়েছিল। এর সঙ্গে রাজনীতির যোগ থাকতে পারে বলেও তিনি মনে করেন, তবে এখনই চূড়ান্ত কিছু বলছেন না। তিনি ঘোষণা করেন, “চন্দ্রর পরিবারের দায়িত্ব আমরা নেব” এবং আহতদের চিকিৎসার ভার দল বহন করবে।












Click it and Unblock the Notifications