ভোট ঘোষণার পরই তৎপরতা, মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র ভবানীপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল শুরু
বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার সাথেই নিরাপত্তা ব্যবস্থায় জোর দিল প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র ভবানীপুর সহ কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় সোমবার থেকেই শুরু হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল। ভোটকেন্দ্রগুলির আশপাশে নিয়মিত রুটমার্চ করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এলাকা চেনাতে তাদের সঙ্গে রয়েছে কলকাতা পুলিশের কর্মীরাও।
রবিবার নির্বাচন কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করার পর থেকেই নির্বাচনী প্রস্তুতি তুঙ্গে। তারই অংশ হিসেবে সোমবার সকালে গড়ফা থানার অন্তর্গত যাদবপুরের পালবাজার এলাকায় রুটমার্চ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটকে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ করতে আগেভাগেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হবে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। উল্লেখযোগ্যভাবে এবার ভোট হবে মাত্র দুই দফায়। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে যেখানে আট দফায় ভোট হয়েছিল, সেখানে এবার দফার সংখ্যা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমেছে।
এই সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানান, রাজ্যের পরিস্থিতি ও বিভিন্ন মতামত বিবেচনা করেই দফা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশনের লক্ষ্য এমনভাবে ভোটের সূচি নির্ধারণ করা, যাতে সব পক্ষের জন্যই তা সুবিধাজনক হয় ও নিরাপত্তা বজায় থাকে।
এরাজ্যে এর আগে বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন দফায় নির্বাচন হয়েছে। ২০০১ সালে বিধানসভা ভোট হয়েছিল এক দফায়। ২০১১ সালে ছয় দফায় ও ২০১৬ সালে সাত দফায় নির্বাচন হয়। ২০২১ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় আট দফায়। অন্যদিকে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন হয়েছিল সাত দফায়।
তবে এবার সেই ধারা বদলে মাত্র দুই দফাতেই ভোট সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর আগে রাজ্যে ভোটকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, বোমা গুলি, এমনকি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। সেই অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, ভোটকে প্রভাবিত করার মতো কোনও রাজনৈতিক হিংসা বা বেআইনি কার্যকলাপকে বরদাস্ত করা হবে না। কেউ এমন চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications