পশ্চিমবঙ্গে SIR শুরু কবে? জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন
বিহারে চলছে SIR প্রক্রিয়া। যা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। এই স্পেশ্যাল ইনটেনসিভ রিভিসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশন ভোট চুরি করছে বলে দাবি করে আজ সাসারাম থেকে ভোটার অধিকার যাত্রা শুরু করেছেন রাহুল গান্ধী। যা ১৩০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করবে। এই আবহে আজ দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ রাজ্যে এসআইআর চালু করতে দেবেন না বলে জানিয়েছেন। তাঁর মতে, এটি ঘুরিয়ে এনআরসি চালুর চেষ্টা। জ্ঞানেশ কুমার এদিন বলেন, পশ্চিমবঙ্গে ও অন্যান্য রাজ্যে কবে এসআইআর চালু হবে তা তিন নির্বাচন কমিশনার মিলে ঠিক করে যথাসময়ে জানানো হবে। তবে ভোটের আগে যে এসআইআর নির্বাচন কমিশন করাবে সেটিও স্পষ্ট করে দেন তিনি। স্বচ্ছভাবে ত্রুটিপূর্ণ ভোটার তালিকা তৈরির দায়বদ্ধতা পালন থেকে কমিশন যে পিছু হঠবে না সেটিও বুঝিয়ে দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।

ভোট চুরি বা তালিকায় কারচুপির অভিযোগ উড়িয়ে তিনি বলেন, বিহারে সাত কোটির বেশি ভোটার নির্বাচন কমিশনের পাশে আছেন। এসআইআর শুরু হয়েছে বিভিন্ন স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের সম্মতি নিয়ে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ১.৬ লক্ষ বুথ লেভেল এজেন্ট খসড়া তালিকা দেখে তাতে স্বাক্ষর করেছেন। ফলে হয় তাঁদের দলের উচ্চতর নেতৃত্ব তাঁদের থেকে বাস্তব তথ্য নিচ্ছেন না, নয়তো কোনও উদ্দেশ্য নিয়েই বিভিন্ন বিবৃতির মাধ্যমে সংশয় তৈরির চেষ্টা করছেন। তবে ভোটার বা নির্বাচন কমিশন এতে ভয় পাচ্ছে না।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, একমাত্র দেশের নাগরিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। ভিনদেশ থেকে আসা কোনও অনুপ্রবেশকারীর সেই অধিকার নেই। যদি কেউ সংশ্লিষ্ট ফর্ম পূরণ করে থাকেন তাহলে তাঁকে নাগরিকত্বের প্রমাণ পেশ করতে হবে। তা খতিয়ে দেখলেই সেই নাম বাদ পড়বে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানান, ইলেকশন পিটিশন ৪৫ দিনের মধ্যে দাখিল না করে জনসমক্ষে ভোট চুরির অভিযোগ করা সংবিধানের অবমাননা। বিহারে এসআইআর নিয়ে এখনও ২৮ হাজার দাবি বা অভিযোগপত্র জমা পড়েছে। ১ সেপ্টেম্বর অবধি অভিযোগ নেওয়া হবে। তারপর আর নয়। এক ব্যক্তির দুই জায়গায় ভোট দেওয়ার প্রমাণ এখনও কেউ পেশ করতে পারেনি বলে দাবি নির্বাচন কমিশনের।












Click it and Unblock the Notifications