প্রাথমিক টেট মামলায় সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ, ডিভিশন বেঞ্চে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ
প্রাথমিক টেট মামলায় সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ, ডিভিশন বেঞ্চে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা এবার ডিভিশন বেঞ্চে। সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করল প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। বিচারপতি তুষার তালুকদারের বেঞ্চে মামলা করা হয়েছিল।
সোমবার ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি রয়েছে।

ডিভিশন বেঞ্চে মামলা
প্রাথমিক নিয়োগের সিঙ্গলা বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। সিঙ্গল বেঞ্চ এই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল। বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের বেঞ্চে আবেদন জানানো হয়েছে। আগামী সোমবার ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি রয়েছে। যদিও সিবিআই তদন্ত শুরু হয়ে গিয়েছে সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ মেনে। টেট পরীক্ষা না দিয়েই অনেকের নিয়োগ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। সিঙ্গল বেঞ্চের সিবিআই তদন্তের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সিবিআই তদন্তের নির্দেশ
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। প্রাইমারি বোর্ডের সেক্রেটারি রত্না বাগচী এবং সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে নিয়োেগ দুর্নীতির অভিযোগে ২৬৯ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। টেট পাস না করেই কীভাবে তাঁরা চাকরি পেলেন এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল আদালত। তাঁদের বেতন বন্ধের নির্দেশের পাশাপাশি তাঁরা যাতে স্কুলে না ঢোকেন তার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।

মধ্যশিক্ষা পর্ষদে সিবিআইয়ের বিশেষ টিম
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের বিশেষ ইনভেস্টিগেশন িটম গঠন করা হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এই টিম গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন আদালতের নজরদারিতেই সিবিআইয়ের এই বিশেষ টিম তদন্ত করবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এসএসসি দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। হতাশা প্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি। সিবিআই তদন্তের কোনও উদ্যোগ তিনি দখতে পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছিলেন।

টেট পরীক্ষায় দুর্নীতির অভিযোগ
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের শুরুটা হয়েছিল ২০১৬ সালে। ২৩ লক্ষ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছিলেন সেবার। ২০১৭ সালে সেই পরীক্ষার প্যানেল তৈরি করা হয়েছিল। পরের বছর আরও একটি প্যানেল প্রকাশ করা হয়। প্রাইমারি বোর্ডের দাবি করে প্রশ্নপত্রে ভুল থাকায় ১ নম্বর বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ২৬৯ জন সেই ১ নম্বর পেয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগ এরা কেউ টেট পরীক্ষাই দেননি। অথচ চাকরি পেয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications