চাকরি বাতিলের মধ্যেই শিক্ষক নিয়োগের বড় নির্দেশ শোনালো কলকাতা হাইকোর্ট
চাকরি বাতিল নিয়ে গোটা রাজ্য জুড়ে আলোড়ন পড়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক - শিক্ষিকার চাকরি গেল। তার মধ্যে নিয়োগের কথা শোনা গেল এদিন বৃহস্পতিবার। নতুন নিয়োগের নির্দেশও দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
৮০০ জনকে নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এই নির্দেশ দিয়েছেন। প্রাথমিকে ২০০৯ সালের উত্তর ২৪ পরগনার পরীক্ষার্থীদের নিয়োগের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

আগামী দুই মাসের মধ্যে এই নিয়োগ করতে হবে। নির্দেশ এদিন দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। গতকাল পর্যন্তও আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন যারা। সেই ৮০০ পরীক্ষার্থী এবার চাকরি পেতে চলেছেন।
২০০৯ সালে তৎকালীন বাম আমলে প্রাথমিকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
তার ভিত্তিতে ২০১০ সালে পরীক্ষা হয়। ২০০৯ সালের প্রাথমিকের নিয়োগে উত্তর ২৪ পরগনায় নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে। এই অভিযোগ উঠেছিল। এই বিষয়টি স্বীকার করে নেয় উত্তর ২৪ পরগনা প্রাইমারি ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সির।
২০১০ সালে পরীক্ষার পর ফল প্রকাশ হয়। পরের এক বছরের মধ্যে বেশিরভাগ জেলার নিয়োগ সম্পূর্ণ হয়ে যায়। কিন্ত চারটি জেলায় নিয়োগ হয়নি। শুরু হয় বিক্ষোভ - আন্দোলন। আর তারপরেই মামলা হয় আদালতে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, মালদা এই চার জেলায় অভিযোগ উঠেছিল। যা নিয়ে মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে।
এসএসসি মামলায় বড় রায় দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ২৫,৭৫৩ জনের চাকরি চলে গিয়েছে হাইকোর্টের নির্দেশে। এই ঘটনায় রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কেন পুরো প্যানেল বাতিল করা হল? সেই প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে কমিশন।












Click it and Unblock the Notifications