কালীঘাটের পর দক্ষিণেশ্বর! জ্ঞানেশ কুমার পৌঁছতেই মন্দির চত্বরে কালো পতাকা হাতে বিক্ষোভ, কী দাবি বিক্ষোভকারীদের?
পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসে আজ সকালে ধর্মীয় স্থান পরিদর্শনে বেরিয়েছেন ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সকালে প্রথমে তিনি যান বেলুড় মঠে। পরে সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি দক্ষিণেশ্বরে পৌঁছন। তবে দক্ষিণেশ্বরে তাঁর সফর ঘিরেই তৈরি হয়ে যায় উত্তেজনা। মন্দির চত্বরে কালো পতাকা হাতে নিয়ে বিক্ষোভে সামিল হন একদল মানুষ, যাদের তৃণমূল সমর্থক বলেই মনে করা হচ্ছে।

গত রবিবার থেকেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার কলকাতায় রয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই তিনি একাধিক প্রশাসনিক বৈঠক করে ফেলেছেন। রাজ্যের বিভিন্ন আধিকারিকদের সাথে বৈঠক করার পাশাপাশি তাঁর বেশ কয়েকটি কর্মসূচিও রয়েছে এই সফরে।
আজ সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ তিনি বেলুড় মঠে পৌঁছন। সেখানে তিনি প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট সময় কাটান। মঠের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। মঠের মহারাজদের এতে সাথে কথাবার্তাও বলেন তিনি। বেলুড় মঠ থেকে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জ্ঞানেশ কুমার বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গ হল রামকৃষ্ণ এবং স্বামী বিবেকানন্দের পবিত্র ভূমি। তাঁর কথায়, "পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে কোনও হিংসা ছাড়াই বিধানসভা নির্বাচন সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর।"
বেলুড় মঠের সফরের শেষে মূলত সেখান থেকেই ফায়ার আসার কথা ছিল তাঁর। তবে পরে পরিকল্পনায় পরিবর্তন করে তিনি যান দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী মন্দিরে। আর সেখানেই তৈরি হয়ে যায় বিক্ষোভের পরিস্থিতি।
সকাল থেকেই মন্দিরের বাইরে কালো পতাকা হাতে অনেক মানুষকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তাঁদের মধ্যে অনেকেই নিজেদের সাধারণ মানুষ বলে দাবি করলেও, স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে যে, তাঁদের মধ্যে অনেকেই তৃণমূলের কর্মী এবং সমর্থক। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ যে, বিভিন্ন ঘটনায় সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করা হচ্ছে এবং অনেক সাধারণ মানুষের মৃত্যুর প্রতিবাদেই তাঁরা এদিন কালো পতাকা দেখানোর জন্যে এসেছেন।
বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, "যেভাবে ষড়যন্ত্র করে সাধারণ মানুষকে এত হয়রানির মধ্যে ফেলা হচ্ছে এবং যেভাবে একের পর এক ঘটনা ঘটে গিয়েছে, তার প্রতিবাদ করার জন্যেই আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি।"
ঘটনাকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও চোখে পড়ার মতো ছিল। মন্দির চত্বরে পুলিশ মোতায়েন করা থাকলেও এত মানুষের জমায়েত কীভাবে হল, তা নিয়েই একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে বিমানবন্দর এবং কালীঘাট মন্দিরের পর দক্ষিণেশ্বরেও বিক্ষোভের ঘটনা সামনে আসার কারণে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে আলোচনা।
উল্লেখ্য, কলকাতায় তাঁর সফরের মধ্যেই শহরের মেট্রো চ্যানেল এলাকায় ধরনায় বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। আর সেই কর্মসূচিতেই সোমবার উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জী। এর ফলে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকের সফর এবং রাজ্যের রাজনৈতিক কর্মসূচি, দুই মিলিয়ে এই মুহূর্তে কলকাতার রাজনৈতিক পরিস্থিতি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
-
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট












Click it and Unblock the Notifications