বিজেপিতে ভাঙনের মাঝেই জল্পনা বাড়ালেন আরও এক বিধায়ক! চপ ভাজলেন রাস্তায় বসে
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে বিজেপিতে একের পর এক ভাঙন চলছে। বিধায়করা বিজেপি ছেড়ে যোগ দিচ্ছেন শাসক শিবিরে। ইতিমধ্যেই বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ৭৭ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৭০-এ।
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে বিজেপিতে একের পর এক ভাঙন চলছে। বিধায়করা বিজেপি ছেড়ে যোগ দিচ্ছেন শাসক শিবিরে। ইতিমধ্যেই বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ৭৭ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৭০-এ। তারপর মতুয়া গড়ে বিজেপি বিধায়করা বিদ্রোহী হয়ে ওঠেন। বেসুরো বাজতে শুরু করেন দিলীপ-গড়ের বিধায়কও। এবার বাঁকুড়ার বিধায়ক জল্পনা বাড়িয়ে চপ ভাজলেন।

ফুটপাতে বসে চপ ভাজলেন বিজেপি বিধায়ক
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চপ শিল্পের কথা বলে ছোটোখাটো উপায়ে কর্মসংস্থানে বার্তা দিয়েছিলেন এক সমাবেশে। তা নিয়ে বিরোধী দলগুলি মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনা কম করেননি। এবার সেই বিরোধী দলের বিধায়ক হয়েই ফুটপাতে বসে চপ ভাজলেন বিজেপি বিধায়ক। এবং জানালেন মুখ্যমন্ত্রীর কথায় অনুপ্রাণিত হয়েই এই কাজ করেছি।

তৃণমূলকে খোঁচা নাকি বিজেপিতে বেসুরো বিধায়ক
এখন বিজেপি বিধায়কের এই কীর্তিতে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, তিনি কি শাসকদলকে খোঁচা দিতেই রাস্তায় বসে চপ ভাজলেন, নাকি বিজেপিতে বেসুরো হতেই এমন সিদ্ধান্ত নিলেন। তবে সম্প্রতি তিনি বিজেপির হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ ছেড়েছেন, দুই সাংগঠনিক সভাপতিকে নিয়ে আপত্তি জানিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে চিঠিও দিয়েছেন। তার ফলে এবার মুখ্যমন্ত্রীর চপ শিল্পকে সমর্থনের পিছনে অন্যরকম জল্পনা রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

বিজেপিতে কি ফের ভাঙন ধরতে চলেছে?
তবে কি বিজেপিতে ফের ভাঙন ধরতে চলেছে? বিজেপির পরিষদীয় টিম আরও ছোট হতে চলেছে? এখনও তা নিশ্চিত না হলেও জল্পনার শেষ নেই। সম্প্রতি মতুয়া গড়ে হোয়াটস অ্যাপ বিদ্রোহের রেশ এখনও চলছে। তারই মাঝে বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুরের বিধায়করাও বিদ্রোহী হয়ে উঠেছিলেন। আর একইভাবে খড়গপুর সদরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়ও বেসুরো বাজছেন।

বিজেপির রদবদলের পর থেকেই বেসুরো
ঠিক তারপরই বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর জানা বাড়ির পাশে দোকানে চপ ভেজে জল্পনা বাড়ালেন। কেননা তাঁর সাম্প্রতিক ভূমিকা নিয়ে দলের অন্দরে জোর চর্চা চলছে। তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে চিঠি দিয়ে দুই সাংগঠনিক সভাপতিকে নিয়ে আপত্তির কথা তুলে ধরেছেন। অর্থার বিজেপির রদবদলের পর থেকেই বেসুরো বাজতে শুরু করেছেন তিনি।

বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েছেন চারজন বিধায়ক
এখন দেখার তিনি চপ ভেজে বিজেপির প্রতি তাঁর অনাস্থা প্রদর্শন করলেন, নাকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করলেন। সাংগঠনিক রদবদলের পর থেকে বিজেপির অন্দরে যে অসন্তোষ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, তাতে দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েছেন চারজন বিধায়ক। তার মধ্যে এই নীলাদ্রিশেখরও রয়েছেন।

কেন এমন করলেন? ব্যাখ্যা, পাল্টা তৃণমূলের
কেন এমন করলেন? সেই প্রশ্ন শুনেই বিজেপি বিধায়ক বলেন, আমি এমনিতেই চপ-মুড়ি ভালোবাসি। তারপর আমাদের মুখ্যমন্ত্রী বারার চপ শিল্পের কথা বলছেন, ছোটো ছোটো শিল্পের প্রসারের কথা বলছেন। সেই কথা মাথায় রেখেই চপ ভাজলাম। বিজেপি বিধায়কের এই কীর্তিতে তৃণমূল বিধায়ক অরূপ চক্রবর্তী বলেন, অন্য দলের হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা শুনেছেন, ভালো বুঝেছেন, তাই করেছেন হয়তো।












Click it and Unblock the Notifications