কেন্দ্রীয়মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সংবর্ধনায় নেই জেলা সভাপতি, বিজেপিতে এ কীসের ইঙ্গিত
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছেন বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। তাঁকে সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছিল বিজেপির গাইঘাটা মণ্ডল ১-এর পক্ষ থেকে। সেই সংবর্ধনা সভাকে ঘিরে বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল আবার প্রকাশ্যে চলে এল।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছেন বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। তাঁকে সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছিল বিজেপির গাইঘাটা মণ্ডল ১-এর পক্ষ থেকে। সেই সংবর্ধনা সভাকে ঘিরে বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল আবার প্রকাশ্যে চলে এল। কেন্দ্রীয়মন্ত্রীর সংবর্ধনা সভায় গরহাজির থাকলেন খোদ জেলা সভাপতিই। তা নিয়ে বিতর্কে তৈরি হল, তৈরি হল জল্পনাও।

এদিন বিজেপির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সংবর্ধনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজেপির গাইঘাটা কেন্দ্রের বিধায়ক শান্তনু ঠাকুরের দাদা সুব্রত ঠাকুর, উপস্থিত ছিলেন বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া। বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক দেবদাস মণ্ডল। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে ছিলেন না বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি মনস্পতি দেব।
মনস্পতি দেবের বাড়ি ঠাকুরনগরেই। তাই তাঁর অনুপস্থিতি খুবই চোখে লেগেছে। বিজেপির একাংশ মনে করছে, সচেতনভাবেই মনস্পতি দেবকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, তাঁকে বাদ রেখেই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। আসলে বনগাঁর বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েই চলেছে জেলা সভাপতি মনস্পতি দেবের। তারই জেরে এই গরহাজিরা বলে মনে করা হচ্ছে।
গাইঘাটা পূর্ব মণ্ডল ১-এর সভাপতি দিব্যেন্দু মণ্ডল বলেন, জেলা নেতৃত্বকে সকলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মনস্পতিবাবুর কোনও কাজ থাকায় হয়তো তিনি আসতে পারেননি। এ বিষয়ে বনগাঁ সংগঠনিক জেলার সভাপতি মনস্পতি দেব বলেন, এটা সাংগঠনিক কোনও অনুষ্ঠান ছিল নাষ ফলে এটা আমাকে জানানো বাধ্যতামূলক ছিল না।
আসলে বনগাঁয় কিছুদিন ধরেই দেখা যাচ্ছে শান্তনু ঠাকুর ও মনস্পতি দেবে একে অপরকে এড়িয়ে চলেছেন। মনস্পতি দেব থাকলে সেই অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না শান্তনু। আর শান্তনু ঠাকুর থাকলে সেই অনুষ্ঠান এড়িয়ে যাচ্ছেন মনস্পতি দেব। সম্প্রতি বনগাঁ শহরে শান্তনু ঠাকুরকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল। সেখানে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত থাকলেও আমন্ত্রিত ছিলেন না মনস্পতি দেব। তা নিয়ে কম বিতর্ক ও জলঘোলা হয়নি।
এদিন ফের শান্তনু ঠাকুরের সংবর্ধনা নিয়ে বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে চলে এল। এমনকী একে অপরকে বিষোদ্গার করতেও ছাড়ছে না। বিজেপি নেতৃত্ব স্বভাবতই অস্বস্তিতে পড়েছে। একের পর এক কোন্দল মাথাচাড়া দেওয়ায় বিতর্ক তৈরি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। একেই বনগাঁ বিজেপির সমস্ত অনুষ্ঠানেই বিজেপির কিছু বিধায়ক অনুপস্থিত থাকছেন। বিধায়ক ও কিছু নেতার দলবদল জল্পনাও মাথাচাড়া দিয়েছিল সম্প্রতি। তার মধ্যেই বনগাঁ বিজেপির এই আড়াআড়ি বিভাজন রাজ্য নেতৃত্বকে অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছে নতুন করে।
-
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
মালদহের ঘটনা তৃণমূলের পরিকল্পিত ও সংগঠিত, কালীঘাটে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ ব্যক্ত করে দাবি শুভেন্দুর -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
কালিয়াচক কাণ্ডের পর ফের অশান্তি! অমিত শাহ-র রোড শো ঘিরে ভবানীপুরে ধুন্ধুমার, হাতাহাতি তৃণমূল-বিজেপির -
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন












Click it and Unblock the Notifications