তৃণমূল ৩০ বিধায়ক দল ছাড়বেন! বিজেপি নেত্রীর কথায় জল্পনা রাজ্য রাজনীতিতে
বঙ্গ বিজেপি বিধায়ক ও নেতারা সম্প্রতি সরব হয়েছেন ডিসেম্বরের পর বাংলায় তৃণমূলের সরকার আর টিকবে না। এই মর্মে এবার আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল চাঞ্চল্যকর আরও এক দাবি করে বসলেন।
বঙ্গ বিজেপি বিধায়ক ও নেতারা সম্প্রতি সরব হয়েছেন ডিসেম্বরের পর বাংলায় তৃণমূলের সরকার আর টিকবে না। এই মর্মে এবার আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল চাঞ্চল্যকর আরও এক দাবি করে বসলেন। তাঁর দাবি, তৃণমূলের ৩০ বিধায়ক বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছেন।

অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, আসন্ন ডিসেম্বরে বাংলায় বড় খেলা হবে। সেই মঞ্চ তৈরি হয়ে গিয়েছে। ৩০ জনেরও বেশি তৃণমূল বিধায়ক আমাদের দলের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তাঁরা দল বদলাতে পারেন বলেও তিনি আভাসি দিয়েছেন ফলে ডিসেম্বরের পরে বাংলার তৃণমূল সরকার আর থাকবে না।
তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার আপাদমস্ত্ক দুর্নীতিতে ডুবে আছে। তার উপর রাজ্য খুব শীঘ্রই আর্থিক জরুরি অবস্থার দিকে যাচ্ছে। আর মরার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দেখা দেবে ভাঙন। দলে এমনভাবেই ভাঙন আসবে, যে সরকার টিকিয়ে রাখার মতো রসদ পাবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
অগ্নিমিত্রা বলেন, তাঁর দল একটি বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে। সেই পরিকল্পনা পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের পতন ঘটিয়ে দিতে পারে। দলের এই কৌশলকে অগ্নিমিত্রা 'বড় খেলা' হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে তিনি বিজেপির কৌশল প্রকাশ করতে নারাজ। কিন্তু কিছু যে ঘটবেই, তা তিনি নিশ্চিত।
তিনি বলেন, আমাদের নেতৃত্ব বারবার দাবি করছে যে, ডিসেম্বরে একটি বড় খেলা হবে। সরকার চলবে কীভাবে? আর্থিক জরুরি অবস্থার দিকে এগিয়ে গিয়েছে রাজ্য। দেউলিয়া হতে আর বাকি নেই। তাদের কাছে টাকা নিঃশেষ! আর কারা রাজ্য চালাবে, রাজ্য পরিচালনা করবেন যাঁরা, তাঁদের ৫০ শতাংশই তো জেলে থাকবেন।
সম্প্রতি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দাবি করেছিলেন, তৃণমূলের ৪০ জন বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। মিঠুন চক্রবর্তী জানান, ২১ জন তৃণমূল বিধায়ক তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। আর এখ অগ্নিমিত্রা বললেন ৩০ জন। সংখ্যা যা-ই হোক না কেন, তৃণমূলে ভাঙন আতঙ্ক ফের ঢুকিয়ে দিতে চাইছে বিজেপি
সুকান্ত মজুমদারের দাবি, তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা শীঘ্রই গ্রেফতার হবেন। ফলে সরকার চলবে না। শুভে্ন্দু অধিকারী বলেন, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি এবং সিবিআই তাদের কাজ করে চলেছে। তৃণমূল সরকার ৬ মাসও টিকবে না। ডিসেম্বরই সময়সীমা শেষ। নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীই প্রথম এই আওয়াজ তুলেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications