ডোমজুড়ে ডাকাতির জন্যে কেনা হয় বাইক, দেড় মাস রেইকি করে ডাকাতরা
গত মাসের ১১ তারিখ হাওড়ার ডোমজুড়ে সোনার দোকানে ডাকাতি হয়েছিল। সেই তদন্তে নেমে বিহারে গিয়েছিল পুলিশের তদন্তকারী দল। একাধিক দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মূল অভিযুক্ত পুলিশের হাতে বন্দি। তবে আশা দেবী ওরফে চাচিকে নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।
কারণ, এই ডাকাতের পরিকল্পনার মাথায় চাচি। আশা দেবী বিভিন্ন ডাকাতির পরিকল্পনা করেন। সেগুলি কীভাবে কার্যসম্পূর্ণ হবে? সেদিকে সম্পূর্ণ নজর রাখেন। পুলিশ তদন্তে এই কথাই জানিয়েছে। বিহার থেকে তাকে গ্রেফতার করে হাওড়া নিয়ে এসেছে পুলিশ।

হাওড়ার সোনার দোকানের ডাকাতির ক্ষেত্রেও পুরো পরিকল্পনা চাচির। এক, দেড় মাস আগে তারা বাংলায় আসে। মে মাসে হাওড়ার অঙ্কুরহাটি এলাকায় বাড়ি ভাড়া করা হয়। টাকা দিয়ে দুটি সেকেন্ড হ্যান্ড বাইক পর্যন্ত কেনা হয়েছিল। সেই দুটি বাইককে সোনার দোকানে ডাকাতির জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল।
দীর্ঘদিন ধরে তারা বিভিন্ন দোকান রেইকি করছিল। কোন দোকানে ডাকাতি করলে সুবিধা হবে? বাইরে থেকে কেউ ঢুকতে পারবে না। দোকানের ভিতর কী হচ্ছে, বাইরে থেকে বোঝা যাবে না। এমনকী পুলিশের গাড়ি রাস্তা দিয়ে গেলেও ভিতরের ঘটনার কোনও আঁচ কাছে পৌঁছবে না। রেইকির সময় এইসব জিনিস খতিয়ে দেখা হচ্ছিল।
ডোমজুড়ের ওই সোনার দোকান বাছাই করা হয়। দেখা যায় পরিকল্পনা অনুসারে একদম ঠিকঠাক ওই দোকান। তারপরেই নির্দিষ্ট দিনে ডাকাতি। এই সোনার দোকানে এক থেকে দেড় কেজি সোনার গয়না নিয়ে চম্পট দেয় ডাকাত দল। দুটি বাইকে করে তারা ডাকাতি করতে গিয়েছিল। পুলিশ তদন্তে নামে। ঘটনায় বিহার গ্যাংয়ের হাত আছে। এই অনুমান করেছিলেন তদন্তকারীরা।
ডোমজুড়ে সোনার দোকানে ভয়াবহ ডাকাতি-কাণ্ডে বিহার থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে আনা হয়েছে ধৃত আশা দেবী ওরফে 'চাচি' এবং অলোক কুমার পাঠককে। দুঃসাহসিক ডাকাতির তদন্তে নেমে হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ এবং বিহার এসটিএফ এক মহিলা সহ চার জনকে গ্রেফতার করে। বিহারের বেগুসরাই থেকে বৃহস্পতিবার তাদের মধ্যে ২ জনকে ( আশা দেবী এবং অলোক কুমার পাঠক ) ট্রানজিক্স রিমান্ডে হাওড়ায় নিয়ে আসা হয়। এদিন দুপুরে হাওড়া আদালতে এদের পেশ করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications