Bengali New Year: বাংলা নববর্ষকে ভুলছে বাঙালি? নেই হালখাতার উন্মাদনা, বিক্রি নেই ক্যালেন্ডারেরও
Bengali New Year: নতুন বছরের প্রথম দিন আর দোকানে দোকানে হাল খাতা যেন সমার্থক। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ছবিটা যেন কিছুটা হলেও ফিকে হতে শুরু করেছে। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গুলিতে সিদ্ধিদাতা গণেশের পূজো, হাল খাতার মিষ্টির প্যাকেট সঙ্গে বাংলা ক্যালেণ্ডার- এখন এসব অতীত। হালখাতা নিয়ে আর তেমন উন্মাদনা দেখা যায় না! ব্যবসায়ী কিংবা খদ্দের সাধারণ কারও মধ্যেই তা দেখা যায় না।
একটা সময় হালখাতা উৎসবের তালিকায় ঢুকে পড়েছিল। ছাপা হতো বাহারি কার্ড। সেই সব কার্ডে মাটির সরাতে কলাগাছের পাতা, ডাব এবং উপরে গণেশের ছবি থাকতো। কিন্তু এখন আর হালখাতার কার্ড সেহারে ছাপা হয় না। বাংলা বছরের প্রথম দিনে (Bengali New Year) এই উৎসবও সেই জাঁকজমকে একটা পালন হয় না।

দোকানে দোকানে পূজোর ঝক্কিও নিতে চাইছেন না ব্যবসায়ীরীরা। তার জায়গা স্থানীয় কোন মন্দিরে লাল কাপড়ে মোড়া নতুন খাতা নিয়ে 'কাজ' সেরে ফেলছেন অনেকেই। আর এসবের কারণেই অনেকটাই হারিয়ে যেতে বসেছে বাংলা নববর্ষের এই উৎসব।
বাঁকুড়া শহরের মাচানতলায় দীর্ঘদিন ধরে ক্যালেণ্ডার সহ অন্যান্য সামগ্রী বিক্রির সঙ্গে যুক্ত সৌমেন ব্যানার্জী বলেন, হাল খাতা দিনে দিনে ফিকে হচ্ছে, ব্যবসায়ীরা দোকানে পূজোর ঝক্কি ঝামেলা না রেখে কোন মন্দিরে গিয়েই পূজো সেরে নিচ্ছেন। একই সঙ্গে এখন আর সেভাবে ক্যালেণ্ডার বিক্রি হয় না বলে তিনি জানান।
রবিবার নববর্ষের প্রথম দিনে (Bengali New Year) বাঁকুড়া শহরের মহামায়া মন্দিরে নিজেদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের হাল খাতার পূজো দিতে আসা পূজা দে বলেন, নতুন খাতা ছাড়া পহেলা বৈশাখ অসম্পূর্ণ, পূরানো খাতায় হাল খাতার পূজো দেওয়া মানে আরো পূরানো হয়ে যাওয়া। ফলে বছরের প্রথম দিন আর নতুন খাতা ছিল ও থাকবে বলে তিনি জানান।

কার্যত বাংলা নতুন বছরকে (Bengali New Year) বাঁচিয়ে রাখার অন্য ছবি ধরা পড়ল উত্তরে। ইংরেজি নববর্ষকে স্বাগত জানাতে যতটা উন্মাদনা থাকে আপামর রাজ্যবাসীর কিন্তু বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানানোর জন্য সেভাবে উন্মাদনা চোখে পড়ে না। তবে শিলিগুড়ির অর্চক নাট্য গোষ্ঠী সেই অসাধ্য সাধন করেছে। কয়েকবছর আগে থেকেই অর্চকের তরফে বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানাতে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রাস্তাজুড়ে দেওয়া হয় আল্পনা।












Click it and Unblock the Notifications