ছটি সংস্থায় ৫০ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছিলেন বাকিবুর, কত টাকার মালিক তিনি?
বাকিবুর রহমানের সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বার বার। বাকিবুর কত টাকার সম্পত্তি করেছে? যত তদন্ত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নানান তথ্য। সম্পত্তি শুধু নয়, একাধিক কোম্পানিতেও কোটির অঙ্কে টাকা লাগিয়েছিলেন৷ সেই টাকার অঙ্ক শুনলে চোখ কপালে উঠতেই পারে।
এখন অবধি ছটি কোম্পানির হদিশ পেয়েছেন ইডির তদন্তকারীরা। সেইসব সংস্থার উৎপত্তি ও কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এইসব কোম্পানিগুলোই এখন ইডির আতসকাঁচের তলায় রয়েছে। নতুন যে তথ্য আসছে তাতে বাকিবুর এইসব সংস্থাতেও টাকা লাগিয়েছিলেন। ওই ছয় সংস্থায় বাকিবুর রহমান ৫০ কোটি টাকা লাগিয়েছিলেন।

চালকল, জমি বাড়ি, হোটেল, বিলাসবহুল ফ্ল্যাট। কী নেই বাকিবুর রহমানের নামে। পেঁয়াজের খোসার মতো এক একটি সম্পত্তির হদিশ পাওয়া যাচ্ছে। আর সেখানেই কপালে ভাঁজ পড়েছে ইডির তদন্তকারীদেরও। কীভাবে এত টাকা করলেন বাকিবুর রহমান! তিনি বাম জমানায় ছিলেন সাধারণ এক ব্যবসায়ী। এরপর তৃণমূল জমানায় যেন লটারির টিকিট লেগে যাওয়া।
গত ১০ বছরে রকেটের গতিতে উত্থান বাকিবুরের। আমডাঙা এলাকায় চালকল পাওয়া গিয়েছে। যদিও ওই চালকলের মালিক কি সত্যিই বাকিবুর রহমান? সেই প্রশ্ন ঘুরছে। কার হাত বাকিবুর রহমানের মাথার উপর ছিল? সেজন্য আর্থিক ও বৈষয়িকভাবে তিনি এতটা উচ্চতায় পৌঁছে গেলেন?
১০০ কোটি টাকা মূল্যের জমির হদিশ পাওয়া গিয়েছে বাকিবুরের। ইডির সূত্রে পাওয়া খবর, বাকিবুর রহমানের ১৬৩২ কাঠা জমির হদিশ পাওয়া গিয়েছে। রাজ্যের ৯৫ টি জায়গায় এই জমি কেনা হয়েছিল। এই জমির মালিকানায় রয়েছে বাকিবুর রহমানের নাম। কিন্তু এত টাকা বাকিবুরের কাছে এল কীভাবে? কতটা প্রভাবশালী ও সফল ব্যবসায়ী হলে এত বিপুল পরিমাণ জমির মালিক এত কম সময়ে হওয়া যায়?
৫০ কোটি টাকা লগ্নি করেছিলেন বাকিবুর রহমান। শেয়ারের পরিমাণের তথ্য এখনও অবধি তাইই বলছে। কিন্তু এই টাকাই বা এল কীভাবে? এই ছটি সংস্থারই তো খুব একটা ব্যবসায়িক ভিত নেই। তাহলে এই বিপুল পরিমাণ টাকা একজন ব্যবসায়ী হিসেবে কেন ঢাকলেন বাকিবুর?
বিরোধী শিবির বলছে এই টাকা সবটাই রেশন বণ্টন দুর্নীতির৷ মোটা অঙ্কের টাকা বাকিবুরের হাতে এসেছিল৷ সেইসব টাকা দিয়েই জমি কেনা হয়েছে। দুর্নীতির কালো টাকা সংস্থায় বিনিয়োগ করে সাদা করা হয়েছে। জেরার মুখে বেশ কিছু তথ্য দিয়েছেন এই বাকিবুর। কিন্তু তদন্তকারীরা মনে করছেন, সেইসব হিমশৈলের চূড়ামাত্র।
রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা মিলিয়ে নটি ফ্ল্যাট পাওয়া গিয়েছে। এছাড়াও ব্যাঙ্গালোরে হোটেল, ফ্ল্যাট। দুবাইতে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট। বিদেশেও কি মোটা অঙ্কের টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে? সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।












Click it and Unblock the Notifications