কলকাতা পুরসভা দায় এড়িয়ে যায়নি! বিতর্কের মধ্যে ঢোক গিললেন অতীন, ফলক বিতর্কেও দিলেন সাফাই
গত ২৪ ঘন্টা আগে ভুয়ো টিকাকরণ ক্যাম্প নিয়ে পাল্টা গ্রাহীতাদের উপরেই দায় চাপায় কলকাতা পুরসভা। বৃহস্পতিবার মেয়র পারিষদ অতীন ঘোষ সাংবাদিক বৈঠক করে অভিযোগ করেন, এখনও পর্যন্ত ওই ক্যাম্পে টিকা নেওয়া কোনও গ্রহীতা কলকাতা পুরসভায়
গত ২৪ ঘন্টা আগে ভুয়ো টিকাকরণ ক্যাম্প নিয়ে পাল্টা গ্রাহীতাদের উপরেই দায় চাপায় কলকাতা পুরসভা। বৃহস্পতিবার মেয়র পারিষদ অতীন ঘোষ সাংবাদিক বৈঠক করে অভিযোগ করেন, এখনও পর্যন্ত ওই ক্যাম্পে টিকা নেওয়া কোনও গ্রহীতা কলকাতা পুরসভায় অভিযোগ জানানো হয়নি।
মিমি চক্রবর্তীই প্রথম ফোন করে জানান। তাঁর ফোন পাওয়ার পরেই কলকাতা পুরসভা উদ্যোগী হয়। কার্যত পুর-প্রশাসকের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। এই অবস্থায় ফের মুখ খুললেন অতীন ঘোষ।

দায় এড়িয়ে যায়নি পুরসভা!
বিতর্কের মধ্যে শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অতীন ঘোষ। তিনি বলেন, বড়সড় কেলেঙ্কারির দায় এড়িয়ে যায়নি কলকাতা পুরসভা। ভুল ব্যাখ্যা হয়েছে। আমি বলছি নাগরিকদেরও কিছু দায়িত্ব থেকে যায়। একটা ভ্যাকসিন নেওয়ার পদ্ধতি সবাই জানে। আধার কার্ড, প্যান কার্ড সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে যেতে হয়। কিন্তু এরপরেও কীভাবে মানুষ ভুল করে। শুধু তাই নয়, ভ্যাকসিন নেওয়ার পর এসএমএস আসছে না দেখেও কেউ আসেনি পুরসভাতে অভিযোগ জানাতে। এই বিষয়টি আমি বলেছি। পুরসভা দায় এড়ায়নি বলেই যারা ওই ক্যাম্প থেকে ভ্যাকসিন নিয়েছেন তাদের শারীরিক অবস্থার উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। ডাক্তার, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। খুঁজে খুজে লোকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে।

ভ্যাকসিন দেবে পুরসভা!
ভ্যাকসিন নয়, তরল কোনও পাউডার মেশানো জল দেওয়া হয়েছে। এই ভ্যাকসিন নেওয়ার পর আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এখনও পর্যন্ত বড় কিছু ঘটেনি। স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখছে পুরসভা। তবে যারা এখান থেকে ভ্যাকসিন নিয়েছেন তাঁদের দ্রুত ভ্যাকসিন দেওয়ানো হবে। তবে এই মুহূর্তে তাঁদের শরীরে একটা পদার্থ গিয়েছে। সেটার এফেক্ট কতদিন থাকবে সেটা দেখার পরে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। জানিয়েছেন অতীন ঘোষ।

নয়না-সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ভাঙিয়ে মূর্তি উন্মোচন!
একের পর এক কেলেঙ্কারি। কখনও কাউকে বুঝতেই দেননি যে তিনি একজন ছদ্যবেশী! তালতলায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তির ফলকে দেবাঞ্জনের নাম ঘিরে চরম বিতর্ক। যদিও সেই নাম ইতিমধ্যে কালো করে দেওয় হয়েছে। তালতলার ত্রিপুরা শঙ্করসেন শাস্ত্রী স্মৃতি গ্রন্থাগারে মাঝে মধ্যে যাতায়াত করতেন দেবাঞ্জন। জানা যায়, ২৬ ফেব্রুয়ারি তালতলায় ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডে শীতলামন্দিরের কাছে কবিগুরুর মূর্তির উন্মোচনের সমস্ত দায়িত্ব নেয় দেবাঞ্জন। এমনকি যে ফলক ছাপানো হয়েছে তাতে বলা হয়েছে সুদীপ, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ফিরহাদ হাকিমের উপস্থিতিতে এই ফলক উন্মোচন করা হয়েছে!

বিতর্কের মুখ খুলেছে পুরসভা
এই ফলককে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অতীন ঘোষ এদিন জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে পুরসভার কোনও যোগ নেই। পুরসভা এই ফলক লাগায়নি। শুধু তাই নয়, স্থানীয় কাউন্সিলর জানিয়েছেন, যে লাইব্রেরি এই মূর্তি বসায় তাঁরা আমাকে আমন্ত্রণ জানায়নি। ফিরহাদ হাকিম এই প্রসঙ্গে আগে জানিয়েছেন, কাউন্সিলারকে যখন ডাকা হয়নি আমরা কেউ সেখানে যাব না। সেই মতো পুরসভার তরফে কেউ সেখানে চিলেন না বলে দাবি অতীন ঘোষের। এলাকার মানুষ সেটিকে লাগিয়েছে। পুরসভার তরফে খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই বিষয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications