Dilip Ghosh: অনুব্রত দলকে অনেক সুবিধা দিয়েছে, ঝেড়ে ফেলতে সময় লাগছে, কটাক্ষ দিলীপের
তৃণমূলের সফল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল৷ বাকিরা যায় আসে। এমনই খোঁচা মারা মন্তব্য করলেন বিজেপির সাংসদ দিলীপ ঘোষ। জয়নগরের হত্যাকাণ্ড ও হামলার ঘটনা, অনুব্রত মণ্ডলকে ফের বীরভূমের জেলা সভাপতি পদে রেখে দেওয়ার বিষয়ে মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। পাশাপাশি মহুয়া মৈত্র সম্পর্কেও বক্তব্য রেখেছেন।
তিহারে জেলবন্দি অনুব্রত মণ্ডলের পদ খোওয়া যায়নি৷ তৃণমূলের তরফে তাকেই জেলা সভাপতি পদে রাখা হয়েছে। তৃণমূলের সাংগঠনিক রদবদল হলেও অনুব্রতকে নড়ানো গেল না। তিনি রাজ্য রাজনীতিতে না থেকেও চর্চায় থাকলেন। তবে জেলার সাংগঠনিক কাজকর্ম সব অন্য নেতারা দেখাশোনা করবেন।

এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, "ওই একজনই তৃণমূলের সফল জেলা সভাপতি। বাকিরা যায় আসে। ওরাই ভোট করে। ওরাই সংগঠন করে। পার্থ, বালুর বিকল্প আছে। তাহলে কি অনুব্রতর বিকল্প নেই?"
দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, "উনি কয়লা, বালি, পাথর,গরু, চাকরি, সব জায়গায় লুঠ করেছে। পার্টিকে সুবিধা দিয়েছে। তাই ওকে ঝেড়ে ফেলতে সময় লাগছে। বাকিরা দিদির নামে করে খেয়েছেন। অনুব্রত মণ্ডলের গুরুত্ব অনেক বেশি। তিনি দিদিকে বড় করেছেন।"
জয়নগরে গতকাল সোমবার তাণ্ডব চলেছে। ফিরে এসেছে বীরভূমের বগটুইয়ের স্মৃতি। সেই নিয়ে মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, "এই ধরনের হত্যাকাণ্ড ও ধংসলীলা আজ নয়। অনেকদিন ধরেই হচ্ছে। বগটুই, বীরভূমের একাধিক জায়গা। মূলত মুসলিম সমাজকে টার্গেট করা হচ্ছে। লড়াই ওদের মধ্যে। আর সেটা নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে। ওদের রাজনীতির বোরে হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।"
বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে এই বিষয়ে কাঠগড়ায় তুলেছেন খড়্গপুরের সাংসদ। তাঁর কথায়, দুষ্কৃতীদের নেতা বানিয়ে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। তারা যা খুশি করে বেড়াচ্ছে। যারা সরকারি পার্টিতে আছে, তারা সংরক্ষণ পাচ্ছে। আর গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এক জিনিস বগটুইতে হয়েছিল।" দিলীপ ঘোষের প্রশ্ন, "সরকার কোথায়? মুখ্যমন্ত্রী কোথায়?"
কৃষ্ণনগরে তৃণমূলের সাংগঠনিক দায়িত্বে এসেছেন মহুয়া মৈত্র। সেই বিষয়ে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, "উনি আগেও জেলা সভাপতি হয়েছেন। হয়তো ভাবছে, সাংসদ পদ তো চলে যাবে। কিছু একটা দিয়ে রাখি। না হলে হয়তো পার্টি ছেড়ে চলে যাবে।"












Click it and Unblock the Notifications