কোচবিহারের পর এবার জলপাইগুড়ি, উত্তরবঙ্গে প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষ চলছেই বিজেপিতে
কোচবিহারের পর জলপাইগুড়ি কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর থেকেই রাষ্ট্রীয় কিষাণ মোর্চা সংগঠন ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
বিজেপির প্রথম পর্বের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ ও অসন্তোষ শুরু হয়েছে। বিজেপি দলীয় কর্মীদের পছন্দের প্রার্থী না হওয়ায় কিছু দলীয় কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের কোন্দল প্রকাশ্যে আসে। একাধিক জেলায় বিজেপির কর্মীদের মধ্যে চাপানউতোর বেড়ে চলেছে।

কোচবিহারের পর জলপাইগুড়ি কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর থেকেই রাষ্ট্রীয় কিষাণ মোর্চা সংগঠন ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
বিজেপির প্রার্থী তালিকায় জলপাইগুড়ি কেন্দ্রের লোকসভা প্রার্থী তথা উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের প্রফেসর চিকিৎসক জয়ন্ত রায়ের নাম ঘোষণা হতেই রাষ্ট্রীয় কিষাণ মোর্চা সংগঠনের সদস্যরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।

এই প্রসঙ্গে কিষাণ মোর্চা জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি নবেন্দ্যু সরকার বলেন, আমরা প্রার্থীর জন্য অরুণ মন্ডলের নাম দিয়েছিলাম কিন্তু ওনাকে প্রার্থী না করে অন্য কেউ প্রার্থী হলে আমরা মানতে পারব না। শনিবার আমরা সমস্ত মোর্চা গোষ্ঠীর ২০টি সংগঠন একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ করব। প্রয়োজন হলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হব যে নোটা চিহ্ন ব্যবহার করতে, আমাদের প্রার্থী পছন্দ না হলে নোটাতেই ভোট দেব।
তিনি আরও জানান, রাষ্ট্রীয় কিষাণ মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রামলালজী প্রার্থীর নাম জানানোর পরেও তাঁকে অপমান করে অন্য নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তাই গোটা জলপাইগুড়ি মানুষ ক্ষুব্ধ বিজেপি প্রার্থী চিকিৎসক জয়ন্ত রায়কে নিয়ে। বিজেপি গরিব মানুষের দল কিন্তু প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করা হচ্ছে অপরিচিত মুখ, তাঁরা দলের জন্য কি কাজ করবেন? প্রশ্ন উঠছে দলের অন্দরেই।
বলা হচ্ছে, যে প্রার্থীকে তাঁর দলের কর্মীরা চিনতেই পারেনি সেই ব্যক্তি যদি বিজেপি দলের হয়ে ভোটে দাঁড়ান, তাহলে মানুষ তাঁকে ভোট দেবেন না। পাশাপাশি গরিব মানুষের কথা ভেবে এলাকার গরিব কৃষক ছেলেকেই প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দেওয়া হোক বলে নব্যেন্দু সরকাররা দাবি জানিয়েছেন।
যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্রচার করা হচ্ছে, প্রার্থী যেই হোক না কেন প্রার্থীকে দেখে নয় দলকে দেখে যেন ভোট দেওয়া হয় এবং প্রার্থীর হয়ে প্রচার করা হয়। এখনও অনেক আসনে প্রার্থী ঘোষণা বাকী রয়েছে। অন্যদিকে ভোটের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই কোন্দল প্রকাশ্যে আসছে।
বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, প্রার্থী যেই হোক তাকে দেখে নয় বিজেপি দলকে দেখে ভোট দিতে। পাশাপাশি দলীয় কর্মীদের কোনওরকম অশান্তিতে জড়াতে নিষেধ করা হয়েছে। বিজেপির কর্মীদের সর্তক থাকার আহ্বান জানান তিনি। তবে সেসবের মাঝেও গোষ্ঠীকোন্দল বারবার সামনে চলে আসছে।












Click it and Unblock the Notifications