'সোনালি গুহর সঙ্গে বড় কিছু ঘটতে পারে', আশঙ্কা প্রকাশ করে বিস্ফোরক দাবি অধীর চৌধুরীর
এক সময়ে মমতার ছায়াসঙ্গী ছিলেন সোনালি গুহ। একুশের বিধানসভা ভোটের আগে সেই সোনালী গুহই পাননি টিকিট। তাঁকে এক প্রকার ঝেড়ে ফেলে দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস।
তারপরেই রাগে অভিমানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খোলেন সোনালি। তাঁকে নিয়ে নতুন আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। সোনালি গুহ যেকোনও দিন খুন হয়ে যেতে পারেন। এমনই আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, কেউ বিরোধিতা করলে কেউ অভিযোগ করলে খুন হয়ে যেতে পারে। আমরা সোনালী গুহর পাশে থাকবো। কেউ যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বলতে আমাদের কিছু বিরোধিতা করার জায়গা নেই।তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরুদ্ধে যদি কেউ মন্তব্য করে তাহলে কুলের কথা খুলে বেরিয়ে যাবে সোনালী গুহ যদি বলতে আরম্ভ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাহলে কুলের কথা খুলে বেরিয়ে যাবে।
সকলে সব জেনে যাবে। তাই সোনালী গুহর উপরে আক্রমণ হওয়াটা স্বাভাবিক। বহরমপুরে এমনই মন্তব্য করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। এদিন বায়রন বিশ্বাসকে নিয়েও মন্তব্য করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। তিনি বলেছেন, বায়রণ বিশ্বাসের সিকিউরিটি ইতিমধ্যে দেওয়া উচিত সরকারের।

কারণ তিনি একজন জনপ্রতিনিধি কিন্তু বায়রন বিশ্বাসকে নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে না। নির্বাচনের সময়তে দরবার করে সরকারি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। নির্বাচনে জেতার পরে স্বাভাবিকভাবে কংগ্রেসের ভয় দেখানো হচ্ছে। একদিকে গাজর দেখানো হচ্ছে এক দিকে ডান্ডা দেখানো হচ্ছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন সাগরদিঘির বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাগরদিঘিতে গিয়ে বায়রন বিশ্বাসকে বার্তাও দিয়েছিলেন। তার পরেই বায়রন বিশ্বাস আদালতে যান বিশেষ নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications