৫১৪ বছরের প্রাচীন মনসা পুজো, হাসের ডিম-রুই-কাতলা ও ইলিশ দিয়ে আমিষ ভোগ
হাসের ডিম,রুই, কাতলা ও ইলিশ দিয়ে আমিষ ভোগ মা মনসাকে। শুরু হলো ৫১৪ বছর ধরে চলে আসা রাজবাড়ির মনসা পুজো। বৈকুন্ঠপুর রাজবাড়ির ৫১৪ বছরের প্রাচীন মনসা পুজো শুরু হল জলপাইগুড়িতে। শুক্রবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী এই পুজো।
৫১৪ বছরের প্রাচীন এই মনসা পুজোকে কেন্দ্র করে বৈকুন্ঠপুর রাজবাড়ি প্রাঙ্গনে বিশাল মেলার আয়োজন করা হয়েছে। বৈকুন্ঠপুর রাজ পরিবারের দুই প্রতিষ্ঠাতা বিশ্ব সিংহ ও শিষ্য সিংহ ১৫১০ খৃষ্টাব্দে এই পুজোর সূচনা করেছিলেন। এখন এই পুজোর আয়োজন করেন রাজ পরিবারের বর্তমান সদস্য প্রণতকুমার বসু ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

১৮ আগস্ট শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে বড় এই মনসা পুজো চলবে ২০ আগস্ট পর্যন্ত। যদিও মনসা মেলা চলবে পাঁচদিন ধরে।পুজোর সূচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বৈকুন্ঠপুর রাজ পরিবারের সদস্য প্রণতকুমার বসু, লিন্ডা বসু সহ অন্যান্য সদস্যরা।
রাজবাড়ির এই পুজোয় মনসা দেবী আটটি বিশেষ রূপে পুজিত হন। রাজ পরিবারের প্রাচীন রীতি মেনে মূলত আমিষ পদ দিয়েই পুজোর ভোগ দেওয়া হয় এখানে। এই পুজো উপলক্ষে বিষহরির মনসামঙ্গল পালাগান শোনার জন্য দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা ছুটে আসেন।
এছাড়া পূজোর আয়োজনেও রয়েছে ভিন্ন স্বাদ, রাজবাড়ি মনসা পুজোয় মাকে ভোগ দেওয়া হয় আমিষ।
বর্তমানে পুজোর প্রথম দিনেই বলি দেওয়া হয় পাঁঠা, আখ, হাঁস অথবা কবুতর । পুজোকে ঘিরে আজও বসে মেলা এখনও মেলা বসে। রাজবাড়ির মনসাপুজো আর মেলা আজও যেন ফুটিয়ে তোলে জলপাইগুড়ির প্রাচীণ ঐতিহ্যকে।












Click it and Unblock the Notifications