ডোপিং-এর দায়ে সাময়িক সময়ের জন্য নির্বাসিত হলেন প্রাক্তন বিশ্ব সেরা সিমোনা হালেপ
ডোপিং-এর দায়ে সাময়িক সময়ের জন্য নির্বাসিত হলেন প্রাক্তন বিশ্ব সেরা সিমোনা হালেপ
বিশ্বের প্রাক্তন শীর্ষ টেনিস তারকা সিমোনা হালেপকে ডোপিংয়ের দায়ে সাময়িক সময়ের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করল আন্তর্জাতিক টেনিস ইনটিগ্রিটি এজেন্সি (আইটিআইএ)। শুক্রবার আইটিআইএ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এই কথা। ইউএস ওপেনের সময়ে হালেপের থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং সেটি পরীক্ষা করে রোক্সাডাসট্যাটের অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে। নিষিদ্ধ পদার্থের উপস্থিতির কারণেই সাময়িক সময়ের জন্য নির্বাসিত করা হয়েছে হালেপ'কে।

আইটিআইএ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই দ্রব্য রক্ত কোষের উৎপাদনকে বাড়িয়ে দেয় এবং এটি ব্যবহার হয় কিডনির সমস্যা নিরাময়ের ক্ষেত্রে। আইটিআইএ-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ৩১ বছর বয়সী রোমানিয়ার টেনিস খেলোয়াড় সিমোনা হালেপকে টেনিস অ্যান্টি ডোপিং প্রোগ্রামের (টিডিপি) ৭.১২.১ আর্টিকেলের অধীনে নির্বাসিত করা হয়েছে। এজেন্সির সিদ্ধান্ত বাইরে আসার পর একটি দীর্ঘ পোস্টা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করেছেন হালেপ এবং সেখানে নিজেকে নির্দোষ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। সাময়িক সময়ের এই নির্বাচনকে জীবনের কঠিন লড়াই বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। তিনি বলেছেন, "আমার জীবনের সব থেকে বড় হতবাক করে দেওয়ার মতো ঘটনা। চিটিং করার কথা এক বারের জন্যও আমার গোটা কেরিয়ারের কখনও মাথায় পর্যন্ত আসেনি। আমি যে শিক্ষা নিয়ে বড় হয়েছি তার ধারের কাছে কোনও এই ধরনের চিন্তা আসতে পারে না। আমি লড়াই চালাবো এটা প্রমাণের জন্য যে আমি জ্ঞানত কোনও নিষিদ্ধ দ্রব্য গ্রহণ করিনি এবং পুরোপুরি বিশ্বাস রয়েছে, আগে হোক কিংবা পরে সত্য়িটা সামনে আসবে।"
ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সি (ওয়াডা) নিষিদ্ধ দ্রব্যের যে তালিকা ২০২২ সালে প্রকাশ করে তাতে নাম রয়েছে এই ওষুধটির যেটি গ্রহণ করেছেন হালেপ। এই নির্বাসনের সময়ে টেনিসের কোনও ইভেন্টে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন না রোমানিয়ার মহিলা টেনিস তারকা।
টেনিস জগতের অন্যতম সমীহ আদায় করে নেওয়া নাম সিমোনা হালেপ। বিশ্বের প্রাক্তন এক নম্বর তারকা দু'টি গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিতেছেন। ২০১৮ সালে ফরাসি ওপেন এবং ২০১৯ সালে উইম্বলডন জেতেন তিনি। ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে তিনি রানার্স হন। ২০১৫ সালে ইউএস ওপেনেরে শেষ চারে পৌঁছে ছিলেন সিমোনা।












Click it and Unblock the Notifications