রাফায়েল নাদাল এটিপি ফাইনালস থেকে বিদায় নিতেই করলেন ২০২৩ নিয়ে বিরাট ঘোষণা
রাফায়েল নাদাল এটিপি ফাইনালস থেকে বিদায় নিলেন। শেষ ম্যাচে ক্যাসপার রুডের বিরুদ্ধে পেলেন স্ট্রেট সেটে স্বস্তির জয়। তুরিনে এটিপি ফাইনালসের গ্রিন গ্রুপের ম্যাচটি গড়াল ১ ঘণ্টা ৪২ মিনিট। নাদাল জিতলেন ৭-৫, ৭-৫ ব্যবধানে। এরপরই পরবর্তী মরশুম নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা জানান স্প্যানিয়ার্ড রাফা।
|
এটিপি ফাইনালস থেকে বিদায়
মরশুমের শেষ টুর্নামেন্টে নিজের শেষ ম্যাচটি খেলতে নামার আগেই জানতেন শেষ চারে ওঠার সম্ভাবনা নেই। গ্রিন গ্রুপের রাউন্ড রবিন ফরম্যাটে রুডের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে নাদালকে হারিয়েছিলেন আমেরিকার টেলর ফ্রিৎজ ও কানাডার অগুয়ের-আলিয়াসিমে। প্রথম দুটি ম্যাচে হার-সহ এটিপি ট্যুরে পরাজয়ের ধারা থামানোর লক্ষ্যে মরিয়া ছিলেন রাফা। এই গ্রুপের শীর্ষ স্থানাধিকারী রুডকে তিনি হারানোয় কিছুটা সান্ত্বনা পেলেন তাঁর ভক্তরাও। নাদালের কাছে পরাস্ত হয়েও সেমিফাইনালে গিয়েছেন রুড। তাঁর বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই দাপট নিয়ে খেলেন নাদাল।
|
শেষ ম্যাচে স্বস্তির জয়
আরও বেশ কয়েকটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম যে তিনি জিততে পারেন তার ইঙ্গিত মিলেছে নাদালের ছন্দ দেখেই। প্রথম সার্ভে তিনি রুডের বিরুদ্ধে ১৬টি এস মারেন, প্রথম সেটে পয়েন্ট আদায়ের শতকরা হার ৯৩ শতাংশ। বিশ্বের দুই নম্বরে থাকা নাদাল এদিন বেশ কিছু অসাধারণ শট মেরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন, যার মধ্যে অন্যতম দ্বিতীয় সেটে মারা ওভার-দ্য-হেড স্ম্যাশ। ফোরহ্যান্ডেও তিনি ছিলেন দারুণ সাবলীল। এক কথায় মরশুমের শেষ ম্য়াচে সবদিক দিয়েই তাঁর স্বস্তি ও আত্মবিশ্বাস প্রকাশ পেয়েছে।
|
২০২২ সালের ট্র্যাক রেকর্ড
২০২২ সালে নাদাল জিতেছেন ৩৮টি ম্যাচ, হেরেছেন ৬টিতে। চলতি বছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ও ফরাসি ওপেন খেতাব জেতেন। পায়ে চোট পেয়ে নিক কির্গিয়সের বিরুদ্ধে উইম্বলডন সেমিফাইনালে নামেননি। তারপর এটিপি ফাইনালসের আগে অবধি তেমন ম্যাচ প্র্যাকটিস পাননি। সেটিকে এটিপি ফাইনালসের শেষ চারে উঠতে না পারার অন্যতম কারণ হিসেবেও চিহ্নিত করেছেন। ইউএস ওপেনে রাউন্ড অব সিক্সটিন থেকেই বিদায় নিয়েছিলেন ফ্রান্সের টিয়াফোর কাছে পরাস্ত হয়ে। মরশুমের দুটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের সুবাদে বিশ্বের ১ নম্বর হলেও পরের দিকে চোট ও ব্যর্থতায় এবার বিশ্বের দ্বিতীয় স্থানে থেকেই তাঁকে এই মরশুম শেষ করতে হলো।
|
আগামীর লক্ষ্য
২০২৩ সালে নিজের লক্ষ্যের কথা জানাতে গিয়ে নাদাল বলেন, সঠিক প্রস্তুতি নিয়েই নামব। সঠিকভাবে সঠিক এনার্জি ও মনোভাব নিয়েই মরশুম শুরু করব। প্রথম থেকেই ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক টেনিস খেলতে চাই। আগামী বছর নিয়ে আমি উত্তেজিত। এই বছরটা যেভাবে চেয়েছিলাম সেভাবে শেষ করতে পারলাম না। তবে শেষ ম্যাচে জয়টিকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছি। এটাই মরশুমের শেষ অফিসিয়াল ম্যাচ ছিল। ফলে জিততে পেরে ভালো লাগছে। যে কোনও খেতাবের চেয়ে ব্যক্তিগত সন্তুষ্টিই গুরুত্বপূর্ণ। যদি আমি নিজের সেরাটা উজাড় করে না দিতে পারি, তাহলে বাড়ি ফিরেও নিজেকে খুশি রাখতে পারব না। অর্থাৎ খেতাব জয়ের খিদে নিয়েই সামনের মরশুম শুরু করবেন রাফা।












Click it and Unblock the Notifications