কোভিড আক্রান্ত হলেও অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন খেলোয়াড়রা, বড় সিদ্ধান্ত কর্তৃপক্ষের
কোভিড আক্রান্ত হলেও অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন খেলোয়াড়রা, বড় সিদ্ধান্ত কর্তৃপক্ষের
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে কোভিড ১৯- এর নিয়মে শিথিলতা দেখা যেতে চলেছে। অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ২০২৩-এ দেখা যেতে পারে করোনা ভাইরাস শরীরে নিয়েও কোনও খেলোয়াড় প্রতিনিধিত্ব করছেন রড লেভার এরিনায়। সোমবার টুর্নামেন্টের ডিরেক্টর ক্রেগ টিলে জানিয়েছেন, খেলোয়াড়দের কোভিড ১৯-এর জন্য টেস্ট করাতে হবে না এবং তাঁদের শরীরে যদি সেই ভাইরাস থেকেও থাকে তবুও তাঁরা প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন।

মেলবোর্ন পার্কে ১৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, বছরের প্রথম গ্র্যান্ডস্ল্যামকে ঘিরে টেনিস প্রেমীদের উন্মাদনা রয়েছে অন্তহীন। সোমবার যে হেলথ পিলিসি টিলে ঘোষণা করেছেন তা বিগত দুই বছরের তুলনায় অনেকটাই শিথিল। ২০২১ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন হয়েছিল জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে। দীর্ঘ দিন বিনা দর্শকে খালি কোর্টে খেলে গিয়েছিলেন প্রতিযোগীরা।
গত বছরও কড়াকড়ি ছিল হেলথ প্রোটোকল নিয়ে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে। ভ্যাকসিন না নেওয়ার কারণে নোভাক জকোভিচকে অস্ট্রেলিয়া থেকে বিতারিত করা হয়েছিল এবং তাঁকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে। এখনও নোভাক জকোভিচের কাছে ভ্যাকসিনেশনের কোনও প্রমাণ নেই তবুও তাঁকে এই বারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে অংশ নিতে দেওয়া হয়েছে। দর্শকদের জন্যও নিয়মে শিথিলতা এনেছে অস্ট্রেলিয়ার সরকার। জকোভিচের উপর তিন বছরের যে ভিসা ব্যান লেগেছিল তাও তুলে নেওয়া হয়েছে এবং ইতিমধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে একটি খেতাবও জিতে নিয়েছেন। অ্যাডিলেডে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের প্রস্তুতির মঞ্চ হিসেবে চলা অ্যাডিলেড ইন্টারন্যাশনাল ১-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তিনি।
সোমবার টিলে বলেছেন, "খেলোয়াড়দের এবং আমাদের স্টাফদের কাছে একটা বিষয় আমরা পরিষ্কার করে দিয়েছি তা হল, কেউ যদি অসুস্থ বোধ করেন তা হলে বাড়িতে থাকুন। আমাদের কাছে এটা এখন স্বাভাবিক পরিবেশ।"
কোভিডের সময়ে বিশ্ব ব্যাপী যে লক লাউন চপেছে তার মধ্যে যেই শহরগুলি দীর্ঘ দিন লক ডাউনের মধ্যে ছিল তাদের মধ্যে অন্যকম মেলবোর্ন। দীর্ঘ দিন এই শহরে লক ডাউন চলেছে। একানে লক ডাউনের বিধি নিষেধ অত্যন্ত কড়া হাতে পালন করা হয়েছে। ইউএস ওপেন ২০২২-এও ভ্যাকসিন না নেওয়া টেনিস খেলোয়াড়দের খেলতে অনুমতি দেওয়া হয়নি। জকোভিচের মতো টেনিস তারকারা ভ্যাকসিন না থাকার কারণে মাস্টার্স ১০০০ টুর্নামেন্ট মিয়ামি এবং ইন্ডিয়ান ওয়েলস মিস করবে। আমেরিকায় এখনও কড়াকড়ি বজায় রেখেছে কোভিড সংক্রান্ত বিধি নিষেধের উপর। বিগত তিনটি বছর কোভিডের কারণে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পর বিশ্বের বিভিন্ন ক্রীড়া ক্ষেত্র নিজেদের মতো করে উপায় খুঁজে বের করেছেন বা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন এই মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে ক্রীড়াক্ষেত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য়।
এর আগে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার ম্যাট রেনশ কোভিড আক্রান্ত হয়েও সিডনি টেস্টে খেলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। খেলার প্রথম তিন দিন সতীর্থদের থেকে আলাদাই ছিলেন রেনশ, পরবর্তীতে কোভিড টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ এলে তিনি ড্রেসিংরুমে যোগ দেন।












Click it and Unblock the Notifications