অস্ট্রেলিয়ান ওপেন থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হলেন বিশ্ব টেনিসের এই নক্ষত্র
অস্ট্রেলিয়ান ওপেন থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হলেন বিশ্ব টেনিসের এই নক্ষত্র
বছরের প্রথম গ্র্যান্ডস্ল্যাম অস্ট্রেলিয়ান ওপেন থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিলেন নিক কিরগিওস। হাঁটুতে চোট পেয়ে বাধ্য হয়ে স্থানীয় ফেভারিট কিরগিওস ঘরে কোর্টে এই মেজর প্রতিযোগীতায় অংশ নিতে পারলেন না। নিক কিরগিওসের উপরই ছিল অস্ট্রেলিয়ার প্রধান প্রত্যাশা এবং তাঁর উপর অস্ট্রেলিয়ান টেনিস সমর্থকদের মূল আশা টিকে ছিল।

২৭ বছর বয়সী কিরগিওস যিনি গত বছর উইম্বলডনে রানার্স হন তিনি জানিয়েছেন, নিজেকে "বিধ্বস্ত" লাগছে নিজের দেশে মেজর টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করতে হওয়ায়। কিরগিওস ছিটকে যাওয়ার ফলে অস্ট্রেলিয়া ওপেনে কোনও অস্ট্রেলিয়ানের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার প্রতীক্ষা আরও বাড়ল। ৪৭ বছর হয়ে গিয়েছে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জেতেননি কোনও অস্ট্রেলিয়ান। কিরগিওস জানিয়েছেন, তাঁকে অস্ত্রপোচার করাতে হবে। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের প্রথম রাউন্ডের খেলায় তাঁর মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল রাশিয়ার রোমান সাফিয়ুল্লিনের বিপক্ষে।
বর্তমানে বিশ্ব ক্রমতালিকায় ২৭ নম্বরে থাকা নিক কিরগিওস ঘাসের কোর্টের সম্প্রতি সময় নিজের দাপট দেখিয়েছেন। উইম্বলডন ২০২২-এর ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছিয়ে গিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত নোভাক জকোভিচের বিরুদ্ধে পরাজিত হতে হয়েছিল তাঁকে। নিজের দেশে বছরের প্রথম গ্র্যান্ডস্ল্যাম থেকে ছিটকে যাওয়ার পর নিক কিরগিয়স বলেছেন, "অবশ্যই, আমি অত্যন্ত হতাশ। এটা আমার কেরিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টগুলির মধ্যে একটি। এমনটা ঘটে যাওয়াটা খারাপ বিষয় কিন্তু এটাই জীবন। চোট আঘাত খেলারই অঙ্গ। আমি বিধ্বস্ত। আমি পুরো শক্তি নিয়ে আবার ফিরে আসবো।"
ক্যানবেরায় জন্মানো নিক কিরগিয়স কখনও গ্রান্ডস্ল্যাম জিততে পারেননি। গত বছর উইম্বলডনের ফাইনালে পৌঁছনো ছাড়া তিনি নিজের কেরিয়ারে গত বছরই প্রথম ইউএস ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছন। ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে কিরগিওস পৌঁছন ফরাসি ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডে। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে কিরগিওসের বলার মতো পারফরম্যান্স হয়েছিল ২০১৫ সালে। ৮ বছর আগে ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছিয়েছিলেন তিনি। সিঙ্গলসে কখনও অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিততে না পারলেও ডবলসে ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জেতেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications