লাটাভিয়ায় নতুন রূপকথা, কী করলেন ওস্টাপেঙ্কো
লাটাভিয়ায় নতুন রূপকথা, ফরাসি ওপেন খেতাব জিতে নজির ওস্টপেঙ্কোর
লাটাভিয়ান রাজকুমারীর স্বপ্নপূরণ। রঙ্গমঞ্চ ফরাসি ওপেনের ফিলিপ চার্টরিয়ের কোর্ট। এক অবাছাই বছর কুড়ির তরুণী জেলেনা ওস্টাপেঙ্কো-র টেনিস লড়াই দেখল বিশ্ব। দেখল কী করে বিশ্বমঞ্চে শুধুমাত্র পারফরমেন্স দিয়ে ইতিহাসে পৌছে যাওয়া যায়। ফরাসি ওপেনে মহিলাদের সিঙ্গলসের ফাইনালে বর্তমান বিশ্বের চার নম্বর সিমোনা হালেপকে হারিয়ে কেরিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিতে নিলেন লাটাভিয়ান টেনিস কন্যা।
এই প্রথমবার ফরাসি ওপেনে খেলতে আসা একসঙ্গে ছুঁয়ে ফেললেন অনেক মাইলস্টোন। ফরাসি ওপেনই ওস্টাপেঙ্কোর প্রথম কোনও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ। এ যেন এলেন, দেখলেন, জয় করলেন প্রবাদের সার্থক প্রয়োগ। আত্মপ্রকাশেই জানিয়ে দিলেন তিনি এসেছেন। ফাইনালে তিন সেটের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে কখনও নার্ভ হারাননি। কখনও সরে আসেননি নিজের গেম থেকে। বরং নিজের অ্যাটাকিং গেমে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছেন হালেপের সমস্ত প্ল্যানিং। এদিনের খেলার ৪-৬,৬-৪,৬-৩।তবে শুধু স্কোরলাইন যথেষ্ট নয় এদিন ওস্টাপেঙ্কোর কৃতিত্বকে কুর্নিশ করতে।

নিজের কেরিয়ারের প্রথম ট্যুরেই খেতাব জয়ের কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন বারবারা জর্ডন। ১৯৭৯ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন খেতাব জিতেছিলেন তিনি। অন্যদিকে ফরাসি ওপেনে একবারই মাত্র এই কৃতিত্বের অধিকারী হয়েছিলেন গুস্তাভো কুয়ের্তেন। ১৯৯৭ সালে পুরুষদের সিঙ্গলসে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন তিনি।
ফরাসি ওপেনে -র ফাইনালের চারদিন আগেই ২০ তে পড়েছেন লাটাভিয়ান টেনিস সুন্দরী। এদিন চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে নিজেকে যেন জন্মদিনেরই উপহার দিলেন। পাশাপাশি প্রথম লাটাভিয়ান প্লেয়ার হিসেবে গ্র্য়ান্ডস্ল্যাম জিতে দেশকেও করলেন গর্বিত।












Click it and Unblock the Notifications