West Bengal News: আরজি করের প্রতিবাদে কেন? দুই ছাত্রীকে ক্লাস থেকে 'ঘাড় ধাক্কা' মমতার প্রাক্তন মন্ত্রীর
West Bengal News: মেডিক্যাল কলেজের গণ্ডি ছাড়িয়ে 'থ্রেট কালচারে'র অভিযোগ এবার সাধারণ ডিগ্রি কলেজেও। বাঁকুড়া সারদামনি মহাবিদ্যালয়ের এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই জনমানসে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ কর্মসূচী ও মিছিলে অংশ নেওয়ায় দুই ছাত্রীকে তাঁর ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ।
অভিযুক্ত খোদ তৃণমূল নেতা (TMC), রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা। যা থ্রেট কালচারের নামান্তর, বলছেন অনেকেই। বাঁকুড়া সারদামনি মহাবিদ্যালয়ের এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই যথেষ্ট অস্বস্তিতে শাসক দল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে (West Bengal News) ।

উল্লেখ্য, আর.জি করের ঘটনার (RG Kar Hospital Protest) প্রতিবাদে সারা রাজ্যের সঙ্গে প্রতিবাদে সামিল বাঁকুড়াও। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারি ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বারবার সরব হয়েছেন এই জেলার ছাত্র ছাত্রী সহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষ। এমনই প্রতিবাদ মিছিলে পথ হাঁটার অভিযোগে থার্ড সেমিস্টারের এক জন ও ফিফথ্ সেমিস্টারের দুই ছাত্রীকে তাঁর ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ।
অভিযোগ ওঠে বাঁকুড়া সারদামনি মহাবিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের প্রধান তথা তৃণমূল নেতা, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরার বিরুদ্ধে। ওই ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার সকাল থেকে কলেজের গেটের বাইরে অবস্থান কর্মসূচী শুরু করেছেন ছাত্রীদের একাংশ। শিক্ষা যেখানে গণতান্ত্রিক অধিকার সেখানে একজন অধ্যাপক, ঘটনাচক্রে এক সময় যিনি রাজ্যের মন্ত্রী ছিলেন তিনি এই ধরণের অগণতান্ত্রিক কাজ করেন কি করে?
সে নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে বিষয়টি জানালেও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে তারা পাশে পাননি বলে ছাত্রীদের অভিযোগ। এই ঘটনায় ছাত্রীদের পাশে দাঁড়িয়েছে বামেরা। বাম যুবনেত্রী মৌমিতা ব্যানার্জী অন ক্যামেরা প্রাক্তন মন্ত্রী ও অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরাকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এবিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেবব্রত মুখার্জী বলেন, ছাত্রীরা আমাকে বিষয়টি জানালে তাদের তা মিটিয়ে নিতে বলি। তবে ওই অধ্যাপকের শাসক যোগ ও প্রভাবশালী তত্ব বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে তিনি রাজী হননি।
অন্যদিকে অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরার দাবি, নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ওই ছাত্রীদের ক্লাসে আসতে নিষেধ করেছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই তারা ক্লাসে আসবে। বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কলেজের সুষ্ঠ পরিবেশ বজায় রাখা আমার দায়িত্ব। যদিও পরে সাংবাদিকদের অস্বস্তিকর প্রশ্ন এড়িয়ে রণে ভঙ্গ দেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications