Son's Death Like Mother: মায়ের মতো রেল স্টেশনেই চিকিৎসক-পুত্রের অকাল প্রয়াণ! সকালেই শেষবার শুভেচ্ছা সৌরভকে
Son's Death Like Mother: সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের অনুরাগী ছিলেন। তবে ৮ জুলাই সকালেও টের পাননি প্রিয় মহারাজের জন্মদিনটাই তাঁর মৃত্যুদিন হতে চলেছে। যদিও সেটাই হলো। তছনছ হয়ে গেল বাঁকুড়ার বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবার।
বছর তিরিশের হাসিখুশি, মেধাবী অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বছর তিনেক আগেই হারিয়েছিলেন তাঁর মা-কে। মায়ের মতোই রেল স্টেশনেই প্রয়াণ যে তাঁর জন্য লেখা রয়েছে, সেটা কারও ভাবনাতেই ছিল না। জীবন এরকমই! কোনও গ্যারান্টিই যে নেই।

বাঁকুড়া শহরের মাচানতলার বাসিন্দা অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হোয়াটসঅ্যাপ স্টেটাস পরিবর্তন হয়েছিল গতকাল সকাল ১০টা ৬ মিনিটে। দাদার ৫১তম জন্মদিনে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নানা ছবির কোলাজ ও বিশেষণ দিয়ে সাজানো শুভেচ্ছাবার্তা। কে জানতো এটাই অরিজিতের শেষ স্টেটাস হয়ে থাকবে? কয়েক ঘণ্টা পরই ঝরে যাবে তরতাজা প্রাণ।
মায়ের প্রয়াণের পর অরিজিৎ বাঁকুড়ার বাড়িতে থাকতেন বৃদ্ধ পিতা অসিত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে। অরিজিতের স্টাইপেন্ডের টাকাতেই চলতো সংসার। অরিজিতের মা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন হাওড়া স্টেশনে। অবাক করার মতো ব্যাপার, অরিজিৎ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন বাঁকুড়ার রেল স্টেশনে।

বাঁকুড়া জেলা স্কুলের কৃতী ছাত্র অরিজিৎ। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস উত্তীর্ণ হন। এমডি পেডিয়াট্রিক্স হন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ থেকে। কয়েক দিন পরেই কাউন্সেলিং ছিল। সামনের বছর বিয়ের পরিকল্পনাও করছিলেন অরিজিৎ। কিন্তু ওলটপালট হয়ে গেল সমস্ত হিসেব।
এক বন্ধুর রেজিস্ট্রি ম্যারেজ উপলক্ষে কলকাতা থেকে আসা কয়েক জন বন্ধুকে 'রিসিভ' করতে গতকাল বাঁকুড়া স্টেশনে গিয়েছিলেন অরিজিৎ। সেখানেই ম্যাসিভ কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাঁকে দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, সব শেষ।
মায়ের মতো পুত্রের একইভাবে রেল স্টেশনে প্রয়াণের ঘটনায় হতবাক এলাকার মানুষ। অরিজিতের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট জুড়েও শোকবার্তা আর স্মৃতিচারণ।












Click it and Unblock the Notifications