বাঁকুড়ায় বিজেপি কর্মীর মৃত্যুতে চাঞ্চল্য, অভিযোগ মানতে নারাজ তৃণমূল
বাঁকুড়ায় এক বিজেপি কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠল। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ। মৃতের নাম বঙ্কু মাহাতো (৭০)। বাঁকুড়ার খাতড়ার দেদুয়ার ঘটনা।
ওই ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাতে বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানা, দলের নেতা, আইনজীবী বিল্লেশ্বর সিং, দলের বাঁকুড়া জেলা সভাপতি সুনীল রুদ্র মন্ডলের উপস্থিতিতে থানায় যাওয়া হয়। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারি ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে খাতড়া থানায় বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা।

বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, মৃত বঙ্কু মাহাতো ওই এলাকায় তাঁদের দলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। বিগত লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই তাঁকে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছিল। তৃণমূলই এই কাজ করেছে।
মৃতের ছেলে সনাতন মাহাতো, নিজেদেরকে বিজেপির সক্রিয় কর্মী দাবি করেন। এর আগেও তাদের উপর হামলা হয়েছিল। এবার সামান্য গাছকে ইস্যু করে ঝামেলা। রাজনৈতিক আক্রোশ মেটাতে বাবাকে খুন করেছে শাসক দলের লোকজন। এমনই অভিযোগ ছেলের।
এই ঘটনায় এলাকায় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত বাদল মাহাতো, প্রহ্লাদ মাহাতো, উত্তম মাহাতো, হারাধন মাহাতো, তারাপদ পাল, গোপাল পাল ও সুখময় মাহাতোদের নাম জড়িয়েছে। খাতড়া থানায় তাদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছেবলে জানা গিয়েছে।
বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানা জানিয়েছেন, বঙ্কু মাহাতো সজ্জন ব্যক্তি ছিলেন। গত লোকসভা ভোটে ওই এলাকায় বিজেপি লিড পেয়েছে৷ তিনি সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। ফলে তৃণমূলের রোষানলে তাকে পড়তে হল।
যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ মানতে নারাজ।
কেবল রাজনীতি করার জন্য তৃমৃলের ঘাড়ে দোষ চাপানো হচ্ছে। দাবি বাঁকুড়া জেলা তৃণমূল নেতা মহাপ্রসাদ সেনগুপ্তের। তাঁর দাবি, এই খুনের ঘটনার পিছনে জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদের ঘটনা রয়েছে। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিজেপি ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছে।












Click it and Unblock the Notifications