বাঁধ তৈরিতেও কাটমানি নিচ্ছে তৃণমূল! শাসক দলকে তীব্র আক্রমণ বিজেপি বিধায়কের
সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যে 'কাটমানি, স্বজনপোষণ আর দুর্নীতি'র অভিযোগে বিধ্বস্ত শাসক দল। এবার নদীভাঙ্গন রোধে বাঁধ তৈরিতে বহুচর্চিত 'কাটমানি' ইস্যুতে শাসক তৃণমূলকে বিঁধলেন বাঁকুড়ার সোনামুখীর বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি।
প্রসঙ্গত, সোনামুখীর নিত্যানন্দপুর কেনেটি মানা, সমিতি মানা আর পাণ্ডে পাড়া এলাকার বিস্তীর্ণ অংশের চাষযোগ্য জমি ইতিমধ্যে দামোদর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সারা বছর এমনিতে দামোদরে সেভাবে জল না থাকলেও ফি বছর বর্ষায় ফুলে ফেঁপে ওঠে দামোদর। ফলে সেই সময় নদীভাঙন লেগেই থাকে।

এই অবস্থায় কেন্দ্রের আইআরডিএফ প্রকল্পে রাজ্য সেচ দপ্তরের তত্ত্বাবধানে ওই এলাকায় নদী বাঁধ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। আর ওই কাজ পরিদর্শনে গিয়ে 'কাটমানি' ইস্যুতে শাসক দলকে এক হাত নিলেন সোনামুখীর বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি।
এই এলাকার নদীভাঙ্গন রোধে বাঁধ তৈরির দাবিতে ২০২১ পরবর্তী সময়ে বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে তিনি লাগাতার আন্দোলন করেছেন দাবি করে বলেন, 'এই কাজে কেউ যেন এক পয়সাও কাটমানি না খায়। বরাদ্দ অর্থের একশো শতাংশ যেন খরচ হয়। পুরো বিষয়টির ওপর তিনি ও তাঁরা কড়া নজর রাখবেন বলেই জানিয়েছেন।

যদিও বিজেপি বিধায়কের বক্তব্যকে আমল দিতে নারাজ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের নেত্রী তথা উত্তর নিত্যানন্দপুর সংসদের পঞ্চায়েত সদস আলোমতি মণ্ডল বলেন, বিধায়কের নিজের বাড়ির এলাকাও তো ভাঙ্গন কবলিত, উনি আগে সেদিকে নজর দিন। তবে এই নদীবাঁধ তৈরির পিছনে পুরো কৃতিত্ব তৃণমূলের বলেও তিনি দাবি করেন।

দায়িত্বপ্রাপ্ত দামোদর ক্যানেল ডিভিশনের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়র সোহারেব শেখ বলেন, এই কাজে ১ কোটি ৭৭ লক্ষ ৯৪ হাজার টাকা বরাদ্দ হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত সুমসৃনভাবে কাজ হচ্ছে। এই কাজে কোনও সমস্যা হলে, স্থানীয়রা জানালে সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications