TMC joining: পঞ্চায়েতে জিতেই মোহভঙ্গ, সিপিএম-বিজেপির সদস্যরা যোগ দিলেন তৃণমূলে
পঞ্চায়েত ভোট পরবর্তী সময়ে বিরোধী শিবিরে ভাঙন অব্যাহতই রয়েছে। পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই শক্তিবৃদ্ধি হচ্ছে শাসকদল তৃণমৃলের। শুক্রবার বাঁকুড়ার রাইপুরের শ্যামসুন্দরপুর ও কেঞ্জাকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সিপিএম ও বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন সদস্যরা।
শ্যামসুন্দরপুর ৭ নম্বর বুথ থেকে সিপিআইএমের প্রতীকে নির্বাচিত প্রসাদ নামাতা ও বাঁকুড়া-১ ব্লকের কেঞ্জাকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে 'নির্দল' হিসেবে প্রতিদ্বন্দিতা করে জয়ী 'প্রাক্তন' বিজেপি নেতা দীনেশ ভুঁই তৃণমূলে যোগ দিলেন। শুক্রবার জেলা তৃণমূল ভবনে তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে বাঁকুড়া জেলা তৃণমূল সভাপতি দিব্যেন্দু সিংহ মহাপাত্র।

প্রসঙ্গত, ২১ আসনবিশিষ্ট কেঞ্জাকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল ১০টি আসনে জয়লাভ করে। এর আগে এক কংগ্রেসের প্রতীকে নির্বাচিত তৃণমূলে যোগ দেন। এবার 'নির্দল' সদস্য দীনেশ ভুঁই যোগ দেওয়ায় সেই সংখ্যা বেড়ে হল ১২।
অন্যদিকে ১৪ আসন বিশিষ্ট শ্যামসুন্দরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল ৬, সিপিএম ১, বিজেপি ৩ ও নির্দল ৪টি আসনে জয়ী হয়। প্রসাদ নামাতা এক সিপিআইএম সদস্য এদিন তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় তাদের সদস্য সংখ্যা বেড়ে হলো ৭।
নিজেকে প্রাক্তন বিজেপি সদস্য দাবি করে কেঞ্জাকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের 'নির্দল' সদস্য দীনেশ ভুঁইয়ের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করা ও মানুষের জন্য কাজ করার উদ্দেশ্য নিয়েই তিনি তৃণমূলে যোগ দিলেন।

এদিন সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রসাদ নামাতা বলেন, সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে কোনওদিনই যুক্ত ছিলাম না। প্রথমবার সিপিএম প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করে জয়ী হয়েছি। মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা থেকেই তৃণমূল যোগ দেওয়া বলে তিনি জানান।
বাঁকুড়া জেলা তৃণমূল সভাপতি দিব্যেন্দু সিংহমহাপাত্র বলেন, বিরোধীদের যে সব সদস্য আমাদের দলে যোগ দিচ্ছেন তারা ভালোমতোই জানেন একা লড়াই করে এলাকার উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই উন্নয়নের স্বার্থেই তাঁরা সবাই তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন বলে দাবি করেন জেলা তৃণমূলের সভপাতি।












Click it and Unblock the Notifications