তৃণমূল, বিজেপি আলাদা নয়, মনোনয়ন জমা দিয়ে বললেন বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুরের দুই সিপিএম প্রার্থী
সকাল থেকেই বাঁকুড়ায় সূর্যের কড়া তেজ। তার মধ্যেই নিজেদের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন দুই বাম প্রার্থী। বিজেপি ও তৃণমূলকে আলাদা করতে চান না তাঁরা। দুই দলের বিরুদ্ধেই লড়াই। দাবি করলেন দুই প্রার্থী।
বাঁকুড়া কেন্দ্র থেকে লড়াই করছেন সিপিএমের আইনজীবী নীলাঞ্জন দাশগুপ্ত। বিষ্ণুপুর কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থী শীতল কৈবর্ত্য। কংগ্রেস দুই প্রার্থীকেই সমর্থন করছে। এবার কি রাঢ় বাংলার এই জেলায় ত্রিমুখী লড়াই হবে? সেই প্রশ্ন উঠেছে।

ত্রিমুখী লড়াই সম্পর্কে তেমন গুরু দিতে চাইছেন না দুই বাম প্রার্থী। বিজেপি ও তৃণমূল আলাদা নয়। এই দুই দলের বিরুদ্ধেই লড়াই বামেদের। বিজেপি ও তৃণমূল দুই দলকেই হারাতে হবে। সেই লক্ষ্য নিয়েই দুই প্রার্থী ভোটের ময়দানে প্রচার করছেন।
পেশায় শিক্ষক, বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের সিপিআইএম প্রার্থী শীতল কৈবর্ত্য। তিনি বলেন, ১৫ মার্চ প্রচার শুরু করেছি। প্রথম দিকে একটু খাপছাড়া ছিল। যত দিন এগিয়েছে, প্রচারে মানুষের সাড়াও বেড়েছে। তাই জেতার ব্যাপারে ভীষণ আশাবাদী।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রের সিপিআইএম প্রার্থী, আইনজীবি নীলাঞ্জন দাশগুপ্ত বলেন, লড়াই জারি আছে, মানুষ বুঝে গেছেন তাঁদের কথা তৃণমূল-বিজেপি কেউ বলবেনা, মানুষের কথা বলে একমাত্র বামপন্থীরা। তাই আগে অন্য রাজনৈতিক দলে ভোট দেওয়া মানুষের ভোটও এবার তিনি পাবেন বলে দাবি করেন।
বৃহস্পতিবার সকালে মিছিল করে আসেন দুই সিপিএম প্রার্থী। জেলাশাসকের অফিসে তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার নির্দিষ্ট সময় ছিল। আক্ষরিক অর্থেই জনস্রোত দেখা গেল। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বিশাল বড় আকারের সিপিএমের দলীয় পতাকা এদিন দেখা যায়৷ এছাড়াও প্রচুর লাল বেলুন নিয়ে আসা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া শহরের স্কুল ডাঙ্গায় দলীয় কার্যালয় থেকে মিছিল বার হয়। জেলাশাসকের দফরের সামনে পৌঁছান ওই দুই সিপিআইএম প্রার্থী। পরে নির্দিষ্ট জায়গায় পুলিশ মিছিল করে আসা সিপিআইএম কর্মী-সমর্থকদের আটকে দেয়। বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের সিপিআইএম প্রার্থী নির্দিষ্ট কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে জেলাশাসকের দফতরে যান। তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।












Click it and Unblock the Notifications