West Bengal: ১৫ বছর ধরে মৌমাছিদের সঙ্গে সংসার! সহ্য করেন ৫০০ মৌমাছির হুল, বাংলার Bee Man-কে চেনেন?
West Bengal Bee Man: দীর্ঘ ১৫ বছরেরও বেশী সময় মৌমাছিদের সঙ্গে ঘর-সংসার করছেন ওন্দার চিঙ্গানী গ্রামের সুখ মহম্মদ দালাল। অবাক হচ্ছেন তো শুনে! হ্যাঁ এটাই সত্যি।
শুধু তাই নয়, বর্তমানে এক সঙ্গে ৪০০ থেকে ৫০০ মৌমাছির হুল সহ্য করার ক্ষমতা রাখেন মহম্মদ দালাল। এহেন বিরল সহ্য ক্ষমতার অধিকারী সুখ মহম্মদকে এলাকার মানুষ এখন 'বি-ম্যান' (West Bengal Bee Man) বলেও ডাকতে শুরু করেছেন। এমনকি বাংলার 'বি-ম্যান' হিসাবেও সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে।

বলে রাখা প্রয়োজন, একদম ছোটো থেকেই 'ডানপিটে' হিসেবেই পরিচিত চিঙ্গানীর সুখ মহম্মদ দালাল। কোন গাছের উচ্চতা যতো বেশি হোক না, তার একেবারে ডগায় উঠে বসে পড়াটা সুখ মহম্মদের কাছে কোনও ব্যাপারই না। তবে পারিবারিক আর্থিক অনটনের কারণে মাত্র ক্লাস ৮-এ পড়াশুনায় ইতি টানতে হয়।এরপর আর পড়াশোনার 'সুখ' পাননি সুখকে! উলটে ওন্দার চিঙ্গানী গ্রাম ছেড়ে কলকাতায় আসতে হয় তাঁকে।
কলকাতায় এক আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকের কাছে মাসে মাত্র ৭০০ টাকা পারিশ্রমিকে কাজে যোগ দিতে হয়। পরে সেখান থেকে ফিরে মধু সংগ্রহকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়ে মৌমাছিদের সঙ্গে ঘর সংসার শুরু।
দীর্ঘ ১৫ বছরেরও বেশী সময়ের অভিজ্ঞতায় যে কোনও মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহ করা এখন সুখ মহম্মদের কাছে জলভাত (West Bengal Bee Man) । অবলীলায় গাছের মধ্যে থাকা মৌমাছির চাকে হাত ঢুকিয়ে দিতে যেমন পারেন, তেমনই মুঠো মুঠো মৌমাছি গেঞ্জির মধ্যে ঢুকিয়ে ফেলাও কোন ব্যাপার নয়। পরে সেখান থেকেই নিরাপদে মধু সংগ্রহ করে বাড়ি ফেরেন তিনি।
এবিষয়ে মধু সংগ্রাহক সুখ মহম্মদ দালালকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, মৌমাছিদের সাথে থাকতে থাকতে এখন তাদের প্রতি আমার একটা সত্যিকারের ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরী হয়ে গেছে। কমপক্ষে সাড়ে চারশো মৌমাছির হুল সহ্য করতে পারি। তবে বর্তমানে মধু সংগ্রহ যেখানে তার পেশা সেকারণেই 'মধু রিফাইনিং মেশিন' (West Bengal Bee Man) পেলে সুবিধা হবে। তাহলে অন্তত ৫০ টি পরিবারকে কাজের সুযোগ তিনি করে পারবেন বলে জানান।












Click it and Unblock the Notifications