এক ঘরেই বাস কাকাতুয়া, খরগোসের! সঙ্গী হাসকি-ম্যাকাও! বিষ্ণুপুরের সরোজ যেন "বনবিহারী'
বাড়ি তো নয়, যেন আস্ত চিড়িয়াখানা। কী নেই? ইয়া পেল্লায় বিদেশী টিয়া, খরগোশ, কুকুর, আরও কত কী! আর যিনি এই বাড়ির মালিক, বলতে পারেন তিনি হলেন বাংলার অপর এক 'বনবিহারী সরকার'। শুধু গল্পের পাতায় নয়, এ এক বাস্তব চিত্র। একবার গেট খুলে ভিতরে গেলেই দেখতে পাবেন তাঁর ঘরে শুয়ে রয়েছে বিদেশী কুকুর, আবার কখনও বাগানে ঘুরছে সাদা তুলতুলে খরগোশ। আর এইসব প্রাণীদের সঙ্গেই দিন কাটাচ্ছেন বিষ্ণুপুরের সরোজ।
বিষ্ণুপুরের বাসিন্দা সরজ মান্না। পেশায় ব্যবসায়ী। ছোট থেকেই জীবে পেম করাউ নেশা। আর সেই নেশা থেকে বাড়তিতে আস্ত একটা চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছেন। যেখানে অন্তত দুটি কাকাতুয়া, রয়েছে একাধিক বিদেশি টিয়া। এমনকি রয়েছে বেশ কয়েকটি খরগোসও। রয়েছে বেশ কয়েকটি বিদেশি কুকুরও।

তবে শুধু সরজবাবুই নয়, গোটা পরিবারই পশুপ্রেমী। স্ত্রী থেকে শুরু করে মেয়ে, সবার জীবন বলতে বাড়িতে থাকা অবলা প্রানীগুলি। তাঁদের পরিচর্চায় দিনের অনেকটা সময় চলে যায় তাঁদের।
শুধু বাড়িতে রাখা পশু-প্রানীগুলিই নয়। রাস্তার সারমেয়গুলির প্রতিও রয়েছে নজর। খাওয়া থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য। সর্বদা নজর থাকে তাদের দিকে। জীবে প্রেম করে যেই জন সেই জন সেবিছে ঈশ্বর, এই বাণীর বাস্তব রূপ বিষ্ণুপুরের মান্না পরিবার, তা বলা বাহুল্য। রইল সেই ভিডিও-












Click it and Unblock the Notifications