চূড়ান্ত ব্যস্ততা শিল্পীদের, বাঁশ সিমেন্ট দিয়ে নিখুঁত কেদারনাথ মন্দির বানানোর চেষ্টা শুশুনিয়ায়

হাতে আর কয়েক দিন বাকি। দম ফেলার সময় নেই শিল্পীদের। মণ্ডপের মূল কাঠামোর কাজ আগেই হয়েছে। এখন বাঁশ ও অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে শেষ মুহূর্তের কাজ চলছে। রঙের কাজকর্ম হচ্ছে সমান ব্যস্ততায়। এবারের থিম কেদারনাথের মন্দির। তাই অনেক বেশি ব্যস্ততা বাঁকুড়ার শুশুনিয়া আমরা সবাই দুর্গোৎসব সমিতির পুজোমণ্ডপে।

শনিবার মহালয়া। পঞ্চমী থেকেই পুজো কার্যত শুরু। মানুষজনও ঠাকুর দেখার জন্য আসতে শুরু করবে। ফলে রবিবারের মধ্যে প্রায় সমস্ত কাজই গুটিয়ে নিতে আসতে হবে। সেজন্য দিনরাত মণ্ডপ তৈরির কাজ চালাচ্ছেন শ্রমিক, শিল্পীরা। মণ্ডপ তৈরির উপকরণে কী নেই! বাঁশ, বাটাম তো আছেই। সিমেন্ট, প্লাস্টার অব প্যারিস, রঙ সব কিছুই ব্যবহার হচ্ছে।

durga puja

দেশের অন্যতম তীর্থস্থান কেদারনাথ মন্দির। যত সময় এগিয়েছে কেদারনাথ নিয়ে মানুষের আগ্রহ অনেকখানি বেড়েছে। চর্চা বলছে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩ হাজার ৫৮৩ মিটার উপরে উত্তরাখণ্ড রাজ্যের চোরাবাহি হিমবাহের কাছে, মন্দাকিনী নদীর তীরে অবস্থিত এই মন্দির। কঠিন রাস্তা বলে ইচ্ছা থাকলেও সকলে পৌঁছাতে পারেন না।

দুর্গাপুজোর মণ্ডপে অনেক জায়গাতেই কেদারনাথের মন্দিরকে থিম করা হয়। এবার মার্তৃ আরাধনায় বাঁকুড়ায় কেদারনাথ মন্দির হাজির। মহাভারতে উল্লেখিত এই মন্দিরই হাজির লালমাটির বাঁকুড়ায়। সৌজন্যে, ছাতনার শুশুনিয়া আমরা সবাই দুর্গোৎসব সমিতি।

শারদোৎসবের দিনগুলিতে শুশুনিয়া পাহাড় আরো একবার ঘুরে দেখার আকর্ষণ তো আছেই। পাশাপাশি দেবাদিদেব মহাদেবের পবিত্র ধাম কেদারনাথ মন্দির দর্শনের সুযোগ পাবেন আগত দর্শনার্থীরা। এ বছর অনেক বেশি মানুষ তাদের মণ্ডপ ও প্রতিমা দর্শন করতে আসবেন। সেই আশা করছেন পুজো উদ্যোক্তারা।

শুশুনিয়া আমরা সবাই দুর্গোৎসব সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বেশ কয়েক বছর ধরেই আকর্ষণীয় থিম পুজো করা হচ্ছে। এবার শুশুনিয়া পাহাড়তলিতে উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ মন্দিরকে তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। সেই মোতাবেক কাজ এগিয়ে চলা নির্দিষ্ট লক্ষ্যে।

durga puja

হাতে সময় আর একদমই নেই। দায়িত্বপ্রাপ্ত শিল্পীরা এখন দিনরাত এক করে কাজ করে চলেছেন। শুশুনিয়া আমরা সবাই দুর্গোৎসব সমিতির সম্পাদক সুমন কর্মকার বলেন, সকলেই অত্যন্ত পরিশ্রম করছেন। সব কিছু সুষ্ঠুভাবে করার আপ্রাণ চেষ্টা চলছে। এই কেদারনাথের মন্দিরের আদলে মণ্ডপ তৈরির জন্য সাড়ে পাঁচ লক্ষ টাকা বাজেট নির্ধারণ হয়েছে।

মূলত, বাঁশ, বাটাম, সিমেন্ট, বস্তা দিয়েই থিম ভাবনা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। থাকছে রঙের ব্যবহার। এছাড়াও মণ্ডপের ভিতর ও বাইরে বিশেষ আলোর ব্যবস্থা থাকছে। এর ফলে মণ্ডপ আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। উৎসবের দিনে দর্শণার্থীদের সুবিধার কথা ভেবে হেল্পলাইন নম্বর চালু থাকবে। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের জন্য হুইল চেয়ারের ব্যবস্থাও থাকছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+