জেলা তৃণমূলের সংগঠনে নেই সংখ্যালঘু নেতার নাম! পঞ্চায়েত ভোটের আগে কি 'সাগরদিঘি সিন্ড্রোম', জল্পনা তুঙ্গে
শাসক তৃণমূল থেকে 'মুখ ফেরাচ্ছেন' সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ, সাগরদিঘি উপনির্বাচনই তার বড় প্রমাণ। বিরোধীদের এমন দাবিরই যেন সত্যতা মিলল বাঁকুড়ার তালডাংরায়। তৃণমূলের সংগঠনে ক্রমিক নম্বরে ফাঁকা রেখেই বাকি পদাধিকারীদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।
অতি সম্প্রতি তালডাংরা ব্লক তৃণমূল সভাপতি ঘটা করে দলের ও দলের শাখা সংগঠন আইএনটিটিইউসি, মহিলা, যুব, এস.সি-এস.টি, শিক্ষক থেকে পুরোহিত সেলের পদাধিকারীদের নাম ঘোষণা করলেও লক্ষ্যনীয়ভাবে সংখ্যালঘু সেলের কোনও পদাধিকারীর নাম ঘোষণা করতে পারেননি।

৭ নম্বরে সংখ্যালঘু সেল ও ৪ নম্বরে ছাত্র সংগঠনের পদাধিকারীদের নাম ছাড়াই ওই তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। আর যা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। বিরোধীদের দাবি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ তৃণমূলের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। তাই ওই পদে কাউকে বসাতে পারেননি শাসক শিবির।
আইএসএফ-র রাজ্য কমিটির সহ সম্পাদক লক্ষীকান্ত হাঁসদার দাবি, সংখ্যালঘুদের সঙ্গে তৃণমূল কোনও কালেই ছিল না। ওই সম্প্রদায়ের মানুষ এখন বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন বলেই এই অবস্থা। আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনেও শাসক দল কোনও সংখ্যালঘু প্রার্থী খুঁজে পাবে না বলে কটাক্ষ করেছেন তিনি।

বাঁকুড়া জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিপত্তারণ সেন বলেন, তৃণমূল এতো দিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ভোটার হিসেবে দেখেছে, মানুষ হিসেবে মান্যতা দেয়নি। এটা বুঝতে পেরেই তাঁরা তৃণমূলের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন, দাবি বিজেপি নেতার।
বাঁকুড়া জেলা তৃণমূলের 'অঘোষিত নম্বর-১' তথা তালডাংরার বিধায়ক অরূপ চক্রবর্তী এবিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ। তবে যে যাই বলুক সংখ্যালঘু সম্প্রদায় তাদের সঙ্গেই আছেন বলে তিনি দাবি করেছে। এব্যাপারে বিরোধীদের দাবিও তিনি খারিজ করেছেন।

এবিষয়ে তালডাংরা ব্লক তৃণমূল সভাপতি তারাশঙ্কর রায়কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ভুল কথা বলছেন বিরোধীরা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ তৃণমূলের সঙ্গেই আছেন। ওই পদে বেশ কয়েকজন নেতার নাম উঠে এসেছে। আলোচনা শেষেই সংশ্লিষ্ট পদাধিকারীর নাম ঘোষণা করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications