বিষমদ কাণ্ডে অপসৃত IC-কে এগরা বিস্ফোরণের তদন্তভার! তৃণমূল প্রমাণিত চোর, ফের বিস্ফোরক শুভেন্দু অধিকারী
তৃণমূল প্রমাণিত চোর, ফের বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার বিকেলে বাঁকুড়ার সিমলাপাল রাজবাড়ি মাঠে দলীয় জনসভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই কথা বলেন।
একই সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী এদিন দাবি করেন, ডিয়ার লটারি গত দেড় তৃণমূলের ইলেকশান বন্ডে ৩০০ কোটি টাকা দিয়েছে। ওই সংস্থা তাদের রিটার্নে ওই কথা জানিয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। আবার তৃণমূলও তাদের রিটার্নে বলেছে ডিয়ার লটারি থেকে তারা ৩০০ কোটি টাকা পেয়েছে।

নারদা স্টিং অপারেশন প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করলে এদিন বিস্ফোরক শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, ও (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ক) ম্যাথুকে দিয়ে চক্রান্ত করেছিল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে প্রশ্ন করা হলে তিনি বৃলেন, ওর কথার উত্তর তিনি দেবেন না। কেননা ওর মালিক পিসিকে তিনি হারিয়েছেন।
শুভেন্দু অধিকারী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাল্টা প্রশ্ন করেন, রুজিরা নারুলা কে? মেনকা গম্ভীরই বা কে হয়। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে দুজন ডিরেক্টর অমিত ব্যানার্জি আর লতা ব্যানার্জির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কী প্রশ্ন করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, প্রত্যেক বালি খাদান থেকে প্রতি মাসে ভাইপোকে পাঁচ লক্ষ চাকা করে দিতে হয়।
আদিবাসী কুড়মি সমাজের আন্দোলন প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বিজেপির এখানে কোন রোল নেই। একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের সঙ্গে রাজ্য সরকারের 'লড়াই' বলে তিনি দাবি করেন। এই সমস্যার সমাধান রাজ্য সরকারকেই করতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এব্যাপারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ড নিয়ে তিনি বলেন, মালিপাঁচঘড়ার বিষমদ কাণ্ডে যে আইসিকে সরানো হয়েছিল, এখানে তাঁকে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। বিরোধী দলনেতা বলেন, সেখানে বিস্ফোরণ আইনে মামলা করা হয়নি। তিনি বলেন, হাইকোর্টে এর উল্লেখ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার শুনানি হতে পারে। এটি এনআইএ তদন্তের জন্য হিট কেস বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিরোধী দলনেতা বলেন, মঙ্গলবার বিস্ফোরণ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য, আর এদিন আইওকে নিয়োগ করা এবং সেকশন লাগানোর মধ্যে যে একটা উদ্দেশ্য আছে, তা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে।
প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করা যেতে পারে, পুলিশ প্রথমে সিমলাপালে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সভায় অনুমতি দেয়নি। পরে বিজেপির তরফে এ ব্যাপারে হাইকোর্টে মামলা করে। হাইকোর্টের তরফে শর্তসাপেক্ষে সভা করার অনুমতি দেয়।












Click it and Unblock the Notifications