Seed Bomb: শুশুনিয়া পাহাড়ে একের পর এক 'বিস্ফোরণ', ছোঁড়া হল একের পর এক 'বোমা'
Seed Bomb: রুক্ষ পাহাড়ে এবার বট, অশ্বত্থ গাছের ঝুড়ি? শুকনো পাহাড় জুড়ে গাছের ছায়া? প্রকৃতি আগুন ঝড়াচ্ছে। সেই প্রকৃতির দিকে ছোঁড়া হল বোমা। চমকে উঠবেন না। এই বোমা ভালো কাজের জন্যই।
দক্ষিণ বঙ্গের অন্যতম পর্যটন ক্ষেত্র শুশুনিয়া (Susunia Hill)। সেই পাহাড়ের বুকে একের পর এক বোমা ছুঁড়লো বন দফতর! কথাটা শুনলে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। তবে এই বোমা সুরকির দিয়ে বাঁধা বারুদে ঠাসা বোমা নয়, এ বোমা মাটি, গোবর সার ও জৈব সারের এক সঙ্গে মিশিয়ে বিভিন্ন ধরণের গাছের বিজ দিয়ে তৈরি বোমাকৃতির মণ্ড।

যার পোশাকি নাম 'সিড বোম' বা বিজ বোমা। শুশুনিয়া পাহাড়ের যে অংশ এখনও ন্যাড়া, যে অংশে এখনও সেভাবে গাছ পালা জন্মায়নি- সেই অংশে সবুজায়নের লক্ষ্যে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে এই 'সিড বোম' ছোঁড়ার কাজ করলো বন দফতর। নেতৃত্বে ছিলেন স্থানীয় বনাধিকারীক এশা বোস স্বয়ং।
বন দফতর সূত্রে খবর, গত বছর বর্ষার সময় পরীক্ষামূলকভাবে শুশুনিয়া পাহাড়ের রুক্ষ ও ন্যাড়া অংশে 'সিড বোম' ফেলা হয়, আর তাতেই অভাবনীয় সাফল্য মেলে, জন্ম নেয় অসংখ্য চারা গাছ। এবার সেকারণেই ওই একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হলো। বর্ষার জল পাওয়ার পরই ওই বীজ থেকে অতি সহজেই চারা বেরিয়ে আসবে বলে তারা জানিয়েছেন।
স্থানীয় বনাধিকারিক এশা বোস বলেন, আমরা মূলত বট, অশ্বস্থ, শিশুর মতো পাথুরে মাটিতে অতি সহজেই টিকে থাকতে পারে এমন গাছই আমরা বেছে নিয়েছি। একই সঙ্গে 'সিড বোমা থেকে তৈরি হওয়া গাছ গুলির নিয়মিত পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজও বন দফতর করবে বলে তিনি জানান।
বন দফতরের এই কাজে সর্বোতভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন শুশুনিয়া মাঙ্গলিক ক্লাবের সদস্যরাও। ক্লাব সদস্য সুকান্ত কর্মকার, দীপ কর্মকাররা বলেন, সামাজিক বনসৃজন প্রকল্পে যুক্ত হতে পেরে আমরা খুশী। বিগত বছরের মতো এবারও এই পদ্ধতিতে সাফল্য আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করছেন বলে জানান।












Click it and Unblock the Notifications