বিষ্ণুপুরের দশাবতার তাস ও শুশুনিয়ার পাথর শিল্প এবার ডাক বিভাগের খামে
ভারতীয় ডাক বিভাগের বিশেষ খামে এবার জায়গা করে নিল বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের দশাবতার তাস ও শুশুনিয়ার ঐতিহ্যবাহি পাথর শিল্প। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া শহরের এডওয়ার্ড মেমোরিয়াল হলে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বিশেষ খামের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধন করেন ডাক বিভাগের সাউথ বেঙ্গল রিজিওনের জেনারেল পোষ্ট মাষ্টার শশী শালিনী কুজুর। উপস্থিত ছিলেন নোডাল ডেপুটি কালেক্টর বিপ্লব চক্রবর্ত্তী, বাঁকুড়া মূখ্য ডাক ঘরের সিনিয়র পোষ্ট মাষ্টার প্রদত্ত কুমার দাস সহ অন্যান্যরা।

ডাক বিভাগ সূত্রে খবর, বিষ্ণুপুরের দশাবতার তাসের কদর বিশ্বজুড়ে। বছরের বিভিন্ন সময় দেশ বিদেশ থেকে আগত পর্যটকদের অন্যতম আগ্রহের বিষয় এই দশাবতার তাস। একই শুশুনিয়ার ঐতিহ্যবাহি পাথর শিল্পকে নিয়েও মানুষের আগ্রহের শেষ নেই, আর সেই কারণেই বাঁকুড়ার বিখ্যাত হস্তশিল্পকে আরো বেশী বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে দিতে এই উদ্যোগ বলে জানা গেছে।
এর আগে বিষ্ণুপুরের শ্যাম রায়ের মন্দির, শিল্পী যামিনী রায়ের শিল্পকর্ম, পাঁচমুড়ার টেরাকোটা, বিষ্ণুপুরের বালুচরি শাড়ি নিয়ে ডাক বিভাগের তরফে ডাক টিকিট ও বিশেষ কভার প্রকাশিত হয়েছে। এবার সেই তালিকায় নবতম সংযোজন বিষ্ণুপুরের দশাবতার তাস ও শুশুনিয়ার ঐতিহ্যবাহি পাথর শিল্প। এই বিশেষ কভার বাঁকুড়া মূখ্য ডাকঘর, কলকাতা জি.পি.ও ছাড়াও অন লাইনের মাধ্যমে বরাত দিয়েও সংগ্রহ করা যাবে বলে জানা গেছে।

বিশেষ খাম প্রকাশ অনুষ্ঠান শেষে এদিন ডাক বিভাগের উদ্যোগে বাঁকুড়া শহরের চারটি স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে ক্যুইজ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। ক্যুইজ ঘিরে সংশ্লিষ্ট ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা গেছে।
ডাক বিভাগের সাউথ বেঙ্গল রিজিওনের জেনারেল পোষ্ট মাষ্টার শশী শালিনী কুজুর এদিন হস্ত শিল্পের জন্য বিশেষভাবে প্রসিদ্ধ বাঁকুড়া জেলা। আর এই জেলার এই হস্তশিল্পকে দেশব্যাপি ছড়িয়ে দেওয়াই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। সেকারণেই বিখ্যাত হস্তশিল্পকে নিয়ে ডাক বিভাগ বিশেষ খাম প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে বলে তিনি জানান।












Click it and Unblock the Notifications