Panchayat: তৃণমূল ভেঙে আরও পঞ্চায়েত দখলে নেবে বিজেপি! বিস্ফোরক দাবি বিধায়কের
পঞ্চায়েত নির্বাচন শেষ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পর্যুদস্ত হয়েছি বিজেপি। বাংলাজুড়েই তৃণমূলের জয়জয়কার। তার মধ্যেই বিজেপি বিধায়ক হুঙ্কার ছাড়লেন, তৃণমূল ভেঙে আরও পঞ্চায়েত দখলে করবে বিজেপি! বাঁকুড়ার সোনামুখীর বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামির দাবির পর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
বিধায়ক বলেন, "এই এলাকায় আমরা চারটি গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করছি। তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্যরা যেভাবে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, তাতে আগামী দিনে এই সংখ্যাটা আরও বাড়বে।" স্থানীয় ডিহিপাড়া গ্রামে দলের নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন সোনামুখীর বিজেপি বিধায়ক দীবাকর ঘরামি।

অধিকাংশ হারের মাঝেও গেরুয়া শিবিরের বিধায়কের আত্মবিশ্বাসী এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা। বিজেপি বিধায়কের এই মন্তব্য শুধুই কি কথার কথা? তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। রাজ্যে পালাবদলের পর বাংলায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দলবদলের ছবি বারবার উঠে এসেছে। সেই ছবিই কি এবার দেখতে চলেছেন সোনামুখীর মানুষ!
প্রসঙ্গত, বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের ১০টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ছ'টি দখল করে তৃণমূল, মাত্র ৪টি বিজেপির দখলে যায়। এলাকার সিংহভাগ পঞ্চায়েতে জেতার পর আনন্দোৎসবে মেতে উঠেছে তৃণমূলের নেতা ও কর্মীরা। তার মাঝেই বিজেপি বিধায়কের এই মন্তব্য যথেষ্ট ইঙ্গিতবাহী বলেই অনেকে মনে করছেন।

যদিও বাংলার শাসক দল তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজেপি বিধায়কের এই মন্তব্যকে একেবারেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। তৃণমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মণ্ডলের সোনামুখী ব্লক এলাকার নির্বাচনী ফলাফল দেখে বিজেপি বিধায়কের 'মাথা খারাপ' হয়ে গেছে।
তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, এখানকার মানুষ তৃণমূলের সঙ্গেই আছেন। এমনকী বিজেপির প্রতীকে নির্বাচিত অনেক পঞ্চায়েত সদস্যই তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে বলে উল্টে তিনি দাবি করেন। অর্থাৎ পঞ্চায়েত নির্বাচন মিটলেও দলবদলের চোখরাঙানি চলছে সমানে।












Click it and Unblock the Notifications