Chandrayaan-3: ইচ্ছা ছিল চাঁদকে ছুঁয়ে দেখার! কৃশানুর কীর্তিতে গর্বিত বাঁকুড়া
Chandrayaan-3: বুধবার ঘড়ির কাঁটায় ঠিক ছ'টা বেজে চার মিনিট তৈরি হল এক ইতিহাস! ১৪২ কোটিরও বেশী মানুষের দীর্ঘ দিনের লালিত স্বপ্ন পূরণ। ২৫ কেজির রোভার 'প্রজ্ঞান'কে নিয়ে ভারতের চন্দ্রযান-৩ চাঁদের দেশে সফল অবতরন করল। ১৭৫২ কেজি ওজনের ল্যাণ্ডার বিক্রম নিয়েই একেবারে সেফ ল্যান্ডিং করল চন্দ্রায়ন তিন।
সৌজন্যে ইসরোর প্রথীতযশা বিজ্ঞানীরা। আর এই কাজে টিম ইসরোর অন্যতম সদস্য বাঁকুড়ার ( Bankura) পাত্রসায়রের ডান্না গ্রামের কৃশানু নন্দী। চন্দ্রায়ন তিনের সাফল্যের দিকে গোটা দেশের পাশাপাশি তাকিয়ে ছিল বাঁকুড়াও। আর তা সফল হতেই সন্ধ্যা থেকে আনন্দোৎসবে মাতোয়ারা বাঁকুড়ার মানুষ।

আর এই খবরে কতটা উৎসাহী কৃশানুর পরিবার? আর তা জানতেই বৃহস্পতিবার সকালে ডান্না গ্রামে গিয়ে পৌঁছে যায় ওয়ান ইন্ডিয়া। কিন্তু সেখানে কৃষাণু নন্দীর বাবা-মা বাড়িতে ছিলেন না। খোঁজ নিয়ে জানা গেল চিকিৎসাজনীত কারণে এই মুহূর্তে তাঁরা দু'জনেই ভীন রাজ্যে রয়েছেন।
প্রসঙ্গত, পেশায় কৃষিজীবি বাবা তারাপদ নন্দীর হাত ধরে কৃশাণুর ছোট বেলা থেকেই চাঁদকে ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছা ছিল। আর সেই ইচ্ছা শক্তিই কৃষাণুকে এতদূর পৌঁছে দিয়েছে। কিন্তু বাঁকুড়ার এই প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বেঙ্গালুরুর ইসরোর সদর দপ্তর-এই পথটা মোটেই সহজ ছিলনা কৃশানুর কাছে। স্থানীয় বামিরা গুরুদাস বিদ্যায়তন থেকে মাধ্যমিক, ছাতনার কমলপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ।
এরপর কলকাতার আর.সি.সি ইনস্টিটিউট অব ইনফর্মেশান টেকনোলোজি থেকে বি.টেক, যাদবপুর বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে এম.টেক পাশ করেন তিনি। এম.টেক করার সময়ই সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেখে দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোতে যোগদান।
খবরে প্রকাশ, বিক্রম ল্যাণ্ডার চাঁদের দক্ষিণ মেরু স্পর্শ করার ঠিক পরমুহূর্ত থেকেই রোভার বা রোবট গাড়ির গতিবিধির সমন্বয়ের দায়িত্বে আছেন বাঁকুড়ার কৃশানুরা। কমলপুর হাই স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক তুষার কান্তি সন্নিগ্রহী টেলিফোনে বলেন, প্রত্যক্ষভাবে কৃশানু আমার ছাত্র নয়, তবে ওই স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক হিসেবে কৃশানুর জন্য আমি গর্বিত।












Click it and Unblock the Notifications