জোড়া ফলায় বিদ্ধ বাঁকুড়ার আলু চাষীরা! ঋণের টাকা শোধের উপায় নিয়ে প্রশ্ন
এযেন খানিক 'মরার উপর খাঁড়ার ঘা'! ধার দেনা করে আলু লাগিয়ে জোড়া ফলায় বিদ্ধ বাঁকুড়ার আলু চাষীরা। একদিকে জেলার জঙ্গল লাগোয়া জমিতে লাগানো আলু ক্ষেতে হাতির ধারাবাহিক আক্রমণ, অন্যদিকে গত কয়েক দিনের ঘন কুয়াশা। সব মিলিয়ে নাজেহাল অবস্থা সংশ্লিষ্ট আলু চাষীদের। লাভ তো দূর অস্ত, এখন খরচের টাকাটাই ঘরে উঠলে বেঁচে যান তাঁরা।
প্রায় শিল্প বিহীন, কৃষি নির্ভর বাঁকুড়া জেলার আঞ্চলিক অর্থনীতির অন্যতম উৎস চাষাবাদ। ধান কেটে ঘরে তোলার পর আলু চাষেই মনোনিবেশ করেন কৃষিজীবি মানুষ। চলতি বছরে প্রথমবার জমিতে আলু বসানোর পর অকাল বৃষ্টিতে তা নষ্ট হয়ে যায়। ফের নতুন করে জমি তৈরি করেও লাভ হল না! ধারাবাহিক হাতির আক্রমণ আর আবহাওয়ার খামখেয়ালীপনায় সব শেষ হতে বসেছে। কী ভাবে দৈনন্দিন সংসার খরচ চলবে, কী ভাবে ঋণের টাকা শোধ করবেন ভেবে পাচ্ছেন না বলে তারা জানিয়েছেন।

জেলার জয়পুর এলাকায় মূলতঃ পোখরাজ, চন্দ্রমুখী, জ্যোতি, পেপসি, সুপার সিক্স জাতের উচ্চ ফলনশীল আলুর চাষ হয়ে থাকে। এই আলু চাষ করেই সারা বছরের সংসার খরচ উঠে আসে। কিন্তু এবার বিধি বাম! কিন্তু চলতি বছর কিভাবে কাটবে তা ভেবেই অস্থির এই এলাকার কৃষিজীবি মানুষ।
এর আগে গত ডিসেম্বরে বৃষ্টিতে বাঁকুড়ার কৃষ্করা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েন। সেই সময় ধান ও আলুর জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়। বহু জমিতে কাটা আমন ধান জলের নিচে চলে যায়। তার আগে অবশ্য সেপ্টেম্বরে বৃষ্টির অভাবে আমন ধান রোয়ার কাজ ব্যাহত হয়।












Click it and Unblock the Notifications