মন্ত্রীর হাত ধরে শাসক দলে যোগদান! আশাহত হয়ে 'ঘরে ফিরলেন' সিপিআইএম পঞ্চায়েত সদস্যা
ভুল বুঝিয়ে ও প্রলোভন দেখিয়ে তাঁকে তৃণমূলে যোগ দেওয়ানো হয়েছিল। তিনি আবার পুরনো দলেই ফিরতে চান। সিপিআইএম বাঁকুড়া জেলা দপ্তরে বসে এমনই দাবি করলেন খাতড়ার দহলা গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য লক্ষীপ্রিয়া রায়।
প্রসঙ্গত, সদ্য সমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১৮ আসন বিশিষ্ট দহলা গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল জেতে মাত্র ৬ টি আসনে। বিজেপি, সিপিআইএম ৫ টি ও নির্দল প্রার্থীরা দু'টি আসনে জয়লাভ করেন। কিন্তু বোর্ড গঠনের আগেই দুই বিজেপি সদস্য তৃণমূলে যোগ দেন। নির্দল সদস্যরা বোর্ড গঠনে অনুপস্থিত থাকায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেয়েও ওই পঞ্চায়েত দখল করে তৃণমূল।

প্রধান ও উপ প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হন সেই সময় বিজেপি ছেড়ে আসা অসিত কুমার মাহাতো ও নিবেদিতা মণ্ডল। এর পর অতি সম্প্রতি সিপিআইএমের লক্ষীপ্রিয়া রায় তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন, এমনটাই দাবি করেন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক ও রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জ্যোৎস্না মাণ্ডির।
সিপিআইএম বাঁকুড়া জেলা কমিটির সম্পাদক অজিত পতি প্রশ্ন তোলেন, প্রশাসনের উপস্থিতিতে ৬ টি আসন পেয়ে দহলা গ্রাম পঞ্চায়েতে কি করে বোর্ড গঠন করল? তিনি বলেন, অনৈতিকতার একটা সীমা থাকা উচিl। তাঁদের দলের প্রতীকে নির্বাচনে জয়ী লক্ষীপ্রিয়া রায়ের সঙ্গে তাঁরা কথা বলবেন বলে জানিয়েছে অজিত পতি।
লক্ষীপ্রিয়া রায় এদিন সংবাদ মাধ্যমের সামনে জানিয়েছেন, তাঁকে নানা রকমের প্রলোভন দেখানো হয়েছিল। দলের নেতা-কর্মীদের কথা না শুনেই তিনি তৃণমূলে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সিপিআইএমের ফিরে আসতে চান বলে জানিয়েছেন।
যদিও এবিষয়ে জানতে মন্ত্রী জ্যোৎস্না মাণ্ডির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাঁর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।












Click it and Unblock the Notifications