আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, কিন্তু কেন?
আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি তথা সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। থানার আইসিকে হুমকি দিয়েছিলেন সাংসদ। সেই নিয়ে রাজনৈতিক জলঘোলা হয়েছিল। নিজেই অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ওই আইসি। সেই অভিযোগের জন্যই আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হল বিজেপি সাংসদকে।
অতি সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দেন সাংসদকে। আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে। এই কথা জানানো হয়। শনিবার বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে পৌঁছান সাংসদ। আত্মসমর্পণ করেন তিনি। সাংসদ সৌমিত্র খাঁ এদিন বলেন, "প্রতিবাদ করলেই ফল ভোগ করতে হয়।" আদালতের উপর যথেষ্ট আস্থা আছে বলে তিনি জানান।

প্রসঙ্গত, সাংসদ সৌমিত্র খাঁয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেইসময় পুলিশ আন্দোলন রুখতে চেষ্টা করেছিল সোনামুখী থানার পুলিশ। সেইসময় থানার আইসিকে হুমকি দিয়েছিলেন সাংসদ। ওই ঘটনার পর সোনামুখী থানার তরফে সৌমিত্র খাঁয়ের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করা হয়।
ওই মামলা সহ মোট চারটি মামলায় সাংসদ সৌমিত্র খাঁ এদিন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে প্রাথমিকভাবে বিপদ এড়ানো গিয়েছে। আগামী দিনে মামলা চলবে নিজস্ব গতিতে। সামনেই লোকসভা ভোট৷ বাঁকুড়ায় বিজেপির সাংসদ তিনি। ২০১৯ সালের আগে তৃণমূল থেকে দলবদল করে বিজেপিতে এসেছিলেন। ভোটে জিতে সাংসদও হন।
মাঝখানে সৌমিত্র খাঁকে তেমনভাবে বিজেপির কর্মসূচিতে দেখতেও পাওয়া যাচ্ছিল না। সাংসদের সঙ্গে কি রাজ্য নেতৃত্বের মতের মিল হচ্ছে না? সেই প্রশ্নও উঠেছিল। চর্চা শুরু হয়, ফের দলবদল করতে পারেন সৌমিত্র খাঁ! বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে চলে যেতে পারেন তিনি। যদিও বিজেপি সাংসদ এই কথা মানতে চাননি। তিনি কোথাও দলবদল করে যাচ্ছেন না। এই কথা জানানো হয়।
অতি সম্প্রতি বাঁকুড়ায় বিজেপির একটি কর্মসূচি ছিল। বিজয়া সম্মলনী করতে গিয়েও বাধা পান বিজেপি নেতৃত্ব। শুভেন্দু অধিকারীর ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দেয়নি। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে মামলা উঠেছিল। শেষ পর্যন্ত তিনিও ওই মামলায় অনুষ্ঠানের অনুমতি দেননি।
পরে নির্দিষ্ট দিন মেনে ওই অনুষ্ঠান হবে। এমনই জানানো হয়েছে। প্রশাসন অনুমতি না দেওয়ায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।












Click it and Unblock the Notifications