তৃণমূলীদের ঝাঁটাপেটার নিদান দিলেন সোনামুখীর বিজেপি বিধায়ক
তৃণমূল কর্মীদের ঝাঁটাপেটা করতে হবে। সোজাসুজি নয়, হাবেভাবে এ কথাই বুঝিয়ে দিলেন বিজেপি বিধায়ক। বাঁকুড়ার সোনামুখীর বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামীর এই কথায় শুরু রাজনৈতিক চাপানউতোড়।
নাম না করে তৃণমূল নেতা কর্মীদের ঝাঁটাপেটা করার নিদান দিলেন বিধায়ক। সোনামুখীর বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামীর এই বক্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বাংলার রাজনীতিতে ফের কি তাহলে কুকথা শুরু হয়ে গেল?

বুধবার কোতুলপুরে বিজেপি দলের 'বিজয়া সম্মিলনী' অনুষ্ঠান ছিল। কলকাতা হাইকোর্ট ওই অনুষ্ঠানের অনুমতি দেয়নি। প্রথমে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সভার অনুমতির পক্ষে ছিলেন। পরে বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের কথা ভিডিও কলে শোনেন তিনি। ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা না থাকা, মাঠের একটি মাত্র বেরনোর রাস্তা হওয়া। এই বিষয়গুলি জানার পরে আর ওই অনুষ্ঠানের অনুমতি দেননি বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সেখানে বক্তব্য রাখার কথা ছিল। অনুষ্ঠানের অনুমতি নেই জেনে, শুভেন্দু আর মঞ্চে যাননি। যদিও শুরুর দিকে বিজেপির নেতা, বিধায়করা বক্তব্য রেখেছিলেন। বক্তব্য রেখেছিলেন সোনামুখীর বিধায়কও।
বিধায়ক দিবাকর ঘরামী বলেন, "কোতুলপুরের মানুষের কাছেও সময় আসবে। পশ্চিমবঙ্গের বড় চোরগুলো যখন ধরা পড়বে। এই ছোট চোরগুলো যখন আপনার পাড়ায় যাবে, তখন ভালো করে একটু খাতির যত্ন করে দেবেন। মায়েরা সকালবেলায় উঠে যেটা দিয়ে উঠোন পরিষ্কার করেন, সেটা দিয়েই খাতির যত্ন করে দেবেন।"
এই কথায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় জেলার রাজনীতিতে। অতি সম্প্রতি তৃণমূলে গিয়েছেন কোতুলপুরের বিজেপি বিধায়ক হরকালী প্রতিহার। তাঁকেও নাম না করে একহাত নিয়েছেন বিধায়ক।
তিনি বলেন, "এই দলবদলুগুলোকেও একটু দিতে হবে। তখন দলবদলু বলবে আমি তো চুরি করিনি। ক'দিন আগেই এসেছি। তবে যে চুরি করে সে যেমন অপরাধী। তেমনই যে চুরির সমর্থন করে সেও সমান অপরাধী।" খেসারত ওই 'দলবদলু বিধায়ক'কেও দিতে হবে। তিনি সভামঞ্চ থেকে দাবি করেন।












Click it and Unblock the Notifications