Basudev Acharya: বিদায় বাসুদেব আচারিয়া, শেষযাত্রায় সামিল হলেন বহু সাধারণ মানুষ
বিদায় কমরেড। শেষবেলায় বহু মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে এলেন। শেষযাত্রায় থাকলেন এককালের সহযোদ্ধা, কর্মী- সমর্থকরা। প্রবীণ সিপিএম সাংসদ বাসুদেব আচারিয়ার শেষযাত্রায় থাকলেন দলের বহু নেতৃত্বও।
সিপিএমের প্রাক্তন সাংসদ ছিলেন তিনি। নয় বার তিনি ভোটে জিতে সাংসদ হয়ে দিল্লি গিয়েছেন। বাঁকুড়া তো বটেই পশ্চিমবঙ্গের বাম রাজনীতিতেই তিনি ছিলেন এক বড় নাম। বুধবার সকালে কলকাতা থেকে রওনা হয়েছিল প্রাক্তন সাংসদের মরদেহ। পুরুলিয়ার আদ্রায় তাঁর বাড়ি। সেখান থেকেই তিনি চীরবিদায় নিলেন।

দীর্ঘ কাল ধরেই তিনি একাধিক শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। ভিন রাজ্যের হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসাও চলছিল। শেষপর্যন্ত আর তিনি লড়াইয়ের ময়দানে আর তিনি ফিরলেন না। মঙ্গলবার তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেছিলেন। কলকাতা নিয়ে আসার পর বুধবার সকালেই তাঁর মরদেহ নিয়ে রওনা হয় সিপিএম নেতৃত্ব।
দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বাঁকুড়ার সাংসদ ছিলেন তিনি। ফলে পুরুলিয়া যাওয়ার পথে বাঁকুড়ায় থামানো হয় তাঁর মরদেহের গাড়ি। আগে থেকেই সিপিএমের নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। সিপিএমের কর্মী- সমর্থকদের পাশাপাশি প্রচুর সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
শেষযাত্রায় সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির প্রাক্তন সদস্য, বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রের ন'বারের সাংসদ, রেলওয়ে স্ট্যাণ্ডিং কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান বাসুদেব আচারিয়া। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ মুনমুন সেনের কাছে হেরেছিলেন বাসুদেব আচারিয়া। মুনমুন সেনও গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন।
প্রাক্তন সাংসদ বাসুদেব আচারিয়ার শকট পুয়াবাগানে এসে পৌঁছায়। সিপিএমের দলীয় পতাকা অর্দ্ধনমিত ছিল। শোকমিছিলে পথ হাঁটেন সিপিআইএম ও তার বিভিন্ন গণসংগঠনের নেতৃত্ব সহ অসংখ্য সাধারণ মানুষ। তাঁর মরদেহে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সিপিআইএম পলিট ব্যুরোর সদস্য তপন সেন, দলের রাজ্য কমিটির সদস্য অভয় মুখোপাধ্যায়, জেলা সম্পাদক অজিত পতি, মহিলা নেত্রী সুদীপা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।
সিপিআইএম পলিটব্যুরোর সদস্য তপন সেন বলেন, বাসুদেব আচারিয়ার শূণ্যতা কখনওই পূরণ হওয়ার নয়। সাংসদ ও সংগঠক হিসেবে তিনি ব্যতিক্রমী ঘরানার মানুষ ছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications