বাঁকুড়া কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তী, বিজেপির সুভাষ সরকারের অন্যতম প্রতিপক্ষ
দল তাঁকে যোগ্য মনে করেছে। বাঁকুড়া লোকসভা আসনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছে। রবিবার প্রার্থী ঘোষণার পরেই উচ্ছ্বাস বাঁকুড়া তৃণমূল শিবিরে। সোমবার থেকেই লড়াইয়ের ময়দানে নেমে পড়েছেন তৃণমূল নেতা অরূপ চক্রবর্তী। তিনি তালডাংরার বিধায়কও বটে।
এবার আর 'বহিরাগত' নয়। বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রে 'ভূমিপুত্রে'ই আস্থা রেখেছে রাজ্যের শাসক দল। এখানে এবার তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন দলের জেলা সভাপতি তথা তালডাংরার বিধায়ক অরূপ চক্রবর্তী।

পেশায় আইনজীবি ও বরাবর ডানপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত অরূপ চক্রবর্ত্তী। তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকেই তিনি এই দলের সঙ্গে যুক্ত। তৃণমূল নেত্রীর অত্যন্ত 'ঘনিষ্ট' হিসেবে পরিচিত অরূপ চক্রবর্তী ২০১৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করেন। বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালে সভাধিপতির পদটি 'সংরক্ষিত' হয়। দল তাঁকে জেলা পরিষদের 'মেন্টর' পদ তৈরি করে তাঁকে নিয়ে যায়।
আরও পরে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তালডাংরা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিধায়ক নির্বাচিত হন। ২০২৩ সালে তিনি দলের জেলা সভাপতির দায়িত্ব পান। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এবার লোকসভার অলিন্দে পা রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে 'পোড় খাওয়া' রাজনীতিবিদ অরূপ চক্রবর্তীর কাছে।
দলের তরফে প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা হয়। অরূপ চক্রবর্তী প্রথম প্রতিক্রিয়ায় বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আশীর্বাদ নিয়েছি। তিনি মাথায় হাত দিয়ে আশীর্বাদ করেছেন।' মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া 'সম্মান' ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি লোকসভায় 'বাঁকুড়ার উন্নয়নে'র দাবি জানানো। পাশাপাশি 'বাংলার বঞ্চনা'র কথা তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
বাঁকুড়া লোকসভা আসনটি বিজেপির দখলে। দেশের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার এই কেন্দ্রের সাংসদ৷ তিনি এবারও বিজেপির হয়ে লড়াই করছেন। আর তাঁর বিরুদ্ধেই এবার অরূপ চক্রবর্তীর লড়াই। গতবার বড় ব্যবধানে জিতেছিল বিজেপি। এবার জেতার জন্য মরিয়া তৃণমূল।
দীর্ঘ সময় ধরে সাংসদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রচার করছেন অরূপ চক্রবর্তী ও বিজেপি নেতৃত্ব। এবার সেই আক্রমণ আরও বাড়বে। এমনই মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications