আমাজনের জঙ্গলে পাওয়া যাওয়া প্রাণী খেকো উদ্ভিদের সন্ধান মিলল বাংলার জঙ্গলে! কোথা থেকে সোনামুখীতে এল?
Surja Sisir: 'পাহাড়ের জঙ্গলে এক মানুষ খেকো বাঘ থাকে'...জনপ্রিয় এক বাংলা সিনেমার এই গানটি সকলেই কম বেশি শুনেছেন, কিন্তু এবার 'মানুষ খেকো বাঘ' নয়, বাঁকুড়ার সোনামুখীর জঙ্গলে দেখা মিলল প্রাণী খেকো এক উদ্ভিদের! মূলত দক্ষিণ আমেরিকার আমাজনের জঙ্গলেই দেখা মেলে 'সান ডিউ' বা বাংলায় 'সূর্য শিশির' (Surja Sisir) । যার বিজ্ঞান সম্মত নাম 'ড্রসেরা বা দশেরা বার্মানি' নামে বিশেষ এই মাংসভুক উদ্ভিদের বলে খবর।
এরা মূলত জঙ্গলঘেরা স্যাঁস্যাঁতে জায়গায় জন্মানোর পাশাপাশি ছোট ছোট প্রাণী, কীট পতঙ্গকে ট্যাপ করে তাদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সংগ্রহ করে থাকে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। কিন্তু আমাজনের বিচিত্র এই উদ্ভিদ (Surja Sisir) কি করে পৌঁছালো লাল মাটির জেলা বাঁকুড়ার জঙ্গলে? এই প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানা।

স্থানীয় সূত্রে খবর, গত কয়েক দিন আগে সোনামুখী রেঞ্জের বড় নারায়ণপুর মৌজায় একটি মুরগী খামার থেকে বেশ খানিকটা দূরে জলাশয়ের পাশে গভীর জঙ্গলে লাল রঙের অনেকটা সিকি পয়সার আদলে বিশেষ এই উদ্ভিদের সন্ধান মেলে। জঙ্গলে যাওয়া মানুষ জন প্রথম এই বিষয়টি দেখার পরই খবর দেন স্থানীয় বনদপ্তরে। পরে বনাধিকারিকরা ওই জায়গায় পৌঁছে এই উদ্ভিদটিকে সনাক্ত করেন ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করেন।
এবিষয়ে বাঁকুড়া খ্রীশ্চান কলেজের উদ্ভিদ বিদ্যার অধ্যাপিকা ডঃ অর্পিতা ব্যানার্জী বলেন, এই বিশেষ ধরণের উদ্ভিদের চারদিকে শুঁড়ের মতো থাকে, তার কাছে কোন পতঙ্গ গেলেই ওই শুঁড় দিয়ে তাকে আটকে ফেলে ও সেখান থেকে প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে। আমাদের রাজ্যের বীরভূমের শান্তিনিকেতন এলাকাতেও প্রচূর পরিমাণে এই গাছ রয়েছে। এরা কোন ক্ষেত্রেই ক্ষতিকারক নয়, সংরক্ষণ জরুরী বলে তিনি জানান।
বনদপ্তরের সোনামুখির বিট অফিসার ইদ্রিশ সরকার, কয়েক দিন আগে স্থানীয়দের কাছ থেকে পতঙ্গভুক এই উদ্ভিদের খবর পাই। এই উদ্ভিদ মূলত আমাজনের জঙ্গলে দেখা মিললেও ইদানীংকালে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলাতেও দেখা গেছে। বিষাক্ত পোকামাকড় খেয়ে ফেলায় এই উদ্ভিদ যথেষ্ট উপকারী। বিষয়টি তাঁরা বনদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন বলে তিনি জানান।
বন দপ্তরের মধ্য সার্কেলের মুখ্য বনপাল এস.কুণাল ডাইভালকে এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী, শুশুনিয়া ও বিহারীনাথে এই উদ্ভিদের সন্ধান আমরা পেয়েছি। বিভিন্ন ধরণের পতঙ্গ থেকেই এরা প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে। বর্ষার পর শীতকালের মধ্যেই এই উদ্ভিদ জন্মায়। দক্ষিণ বঙ্গে এরা সংখ্যায় কম থাকায় এদের সংরক্ষণে তাঁরা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন বলে তিনি জানান।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications