ঝালদায় কাউন্সিলর খুন কাণ্ডে ক্লোজ সাব ইন্সপেক্টর সহ ৫ পুলিশ কর্মী
ঝালদায় কাউন্সিলর খুন কাণ্ডে ক্লোজ সাব ইন্সপেক্টর সহ ৫ পুলিশ কর্মী
ঝালদায় কংগ্রেস কাউন্সিলর খুনের ঘটনায় ক্লোজ করা হল ৫ পুলিশ কর্মীকে। তার মধ্যে এক সাব ইন্সপেক্টরও রয়েছেন। যেদিন কাউন্সিলর খুন হন সেদিন নাকা চেকিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন এই পাঁচ পুলিশ কর্মী। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার।

ঝালদা কাউন্সিলর খুনের ঘটনায় একের পর এক পুলিশকর্মীর নাম জড়াচ্ছে। ঝালদা থানার আইসির বিরুদ্ধে খুনের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছেন তপন কান্দু পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার সাত দিন পর ঘটনাস্থলে গিয়েছিল ফরেন্সিক টিম। পুরুলিয়ার জেলা পুলিশ সুপার এস সেলভামুরুগান জানিয়েছেন পুরো ঘটনার তদন্ত করছেন উচ্চ পদস্থ আধিকারীকরা। এই ঘটনায় কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে আগেই চার পুলিশকর্মীকে ক্লোজ করে তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এবার আরও পাঁচ পুলিশকর্মী তাঁদের মধ্যে একজন সাব ইন্সপেক্টরও রয়েছেন তাঁদের সকলকে ক্লোজ করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে বিভাগীয় তদন্ত। ঘটনার দিন এই পাঁচ পুলিশকর্মী ঝালদায় নাকা চেকিংয়ের দািয়ত্বে ছিলেন। কাজেই তাঁদের চোখ এড়িয়ে কীভাবে আততায়ী গা ঢাকা দিল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সেকারণে এই পাঁচ পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ করা হয়েছে।
তপন কান্দু খুনের ঘটনায় সুপারি কিলারকে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অনুমান করছে পুলিশ। ঝাড়খণ্ড থেকে এসেছিল আততায়ীরা। খুনের পর আবার পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ডে তারা গা ঢাকা দেয় বলে অনুমান পুলিশের। ইতিমধ্যেই তপন কান্দুর খুনির একটি স্কেচ প্রকাশ করেছে পুরুলিয়া পুলিশ। তার সন্ধান দিতে পারলে মোটা টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে বলেও ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে যে সেই আততায়ীর খোঁজ দিতে পারবে তাঁর নাম এবং পরিচয় গোপন রাখা হবে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তপন কান্দুর ভাইপো দীপক কান্দু সহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তপন কান্দুর সঙ্গে দীপক কান্দুর পরিবারের শত্রুতা ছিল। সেই শত্রুতা থেকেও খুন করা হতে পারে কংগ্রেস কাউন্সিলরকে এমনই অনুমান করছে পুলিশ।
পরিবারের লোকেরা এখনও সিবিআই তদন্তের দাবিতে অনড় রয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে তপন কান্দুকে। ভোটে জেতার পর থেকেই তাঁকে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। ঝালদা থানার আইসির একটি অডিও ক্লিপ প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে তপন কান্দুকে তৃণমূলে যোগ দেওয়ানোর জন্য চাপ তৈরি করার কথা বলা হচ্ছে। সেই অডিও ক্লিপ ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। পরিবারের লোকেরাও ঝালদা থানার আইসিকে সরানোর দাবি জানিয়েছেন। তাঁরা অভিযোগ করেছেন কীভাবে একজন পুলিশ অফিসার অভিযুক্ত হয়েও দায়িত্বে থাকতে পারেন। তাঁর বিরুদ্ধে কেন পদক্ষেপ করা হচ্ছে না।












Click it and Unblock the Notifications