বোর্ড গঠন নিয়ে ধুন্ধুমার ঝালদা পুরসভায়, পূর্ণিমা কান্দুকে হেনস্থার প্রতিবাদে আগামিকাল ১২ ঘণ্টার বনধ
বোর্ড গঠন নিয়ে ধুন্ধুমার ঝালদা পুরসভায়, পূর্ণিমা কান্দুকে হেনস্থার প্রতিবাদে আগামিকাল ১২ ঘণ্টার বনধ
সকাল থেকে ঝালদায় পুরবোর্ড গঠন নিয়ে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। তপন কান্দুর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বের হওয়া মৌন মিছিলে হামলার অভিযোগ। প্রতিবাদে আগামিকাল ১২ ঘণ্টার বনধের ডাক দিল কংগ্রেস। পুলিশ শারীরিক ভাবে তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দুকে নিগ্রহ করেছে বলে অভিযোগ।

ঝালদা পুরসভায় ধুন্ধুমার
গতকাল সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঝালদা পুরসাভায় বোর্ড গঠন নিয়ে তৎপরতা শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেস। নির্দল সমর্থনে ঝালদা পুরসভায় বোর্ড গঠন করে তৃণমূল কংগ্রেস। এই নিয়ে তুমুল শান্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। প্রতিবাদে কংগ্রেস সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। আজ তপন কান্দুর হত্যার প্রতিবাদে কালা দিবসের ডাক দিয়েছিল কংগ্রেস। তার মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের বোর্ড গঠন নিয়ে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়।

পূর্ণিমা কান্দুকে হেনস্থা
কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আজ কালা দিবসের ডাক দিয়েছিল কংগ্রেস। ঝালদায় তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দুকে নিয়ে মৌন মিছিল করছিলেন কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা। পুরসভার সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ তাঁদের পথ আটকায়। কিন্তু মিছিলে অনড় ছিলেন কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা। ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় পুরসভার সামনে। অভিযোগ তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু সহ মহিলা কংগ্রেস কর্মীদের হেনস্থা করে পুলিশ। তারপরেই আরও বিক্ষোভ বাড়তে শুরু করে। পুলিশ কোনও রকমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগামিকাল ১২ ঘণ্টার বনধ
আগামিকাল ১২ ঘণ্টার ঝালদা বনধের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতা নেপাল মাহাত জানিয়েছেন, পূর্ণিমা কান্দু সহ মহিলা কর্মীসমর্থকদের উপর যে ভাবে পুলিশ শারীরিক নিগ্রহ চালিয়েছে তার প্রতিবাদে সকাল ৬টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত ঝালদায় বনধ পালন করবেন কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা। আগামিকাল আরও মহিলা এই ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামবেন বলে জানিয়েছেন। তবে বনধের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে, হাসপাতাল, রোগী পরিষেবা, স্কুল-কলেজ এবং সিবিআইয়ের গাড়ি এবং অত্যাবশ্যকীয় গাড়ি গুলিকে।

কীভাবে বোর্ড গঠন
পুরসভা ভোটে ঝালদায় ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। একক ভাবে বোর্ড গঠন করার অবস্থায় ছিল না তৃণমূল কংগ্রেস। সেকারণেই তপন কান্দুকে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তপন কান্দুর হত্যাকাণ্ডের পরে কংগ্রেসের কাউন্সিলর সংখ্যা ৫ থেকে কমে ৪ হয়ে যায়। এদিকে তৃণমূলের ৫ কাউন্সিলর। আর নির্দলের ২ কাউন্সিলর। ২ নির্দল কাউন্সিলরের সমর্থন নিয়ে বোর্ড গঠন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।












Click it and Unblock the Notifications