ফিরে দেখা ২০২০: এ বছর বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনার সাক্ষী থেকেছে দুর্গাপুর
ফিরে দেখা ২০২০: এ বছর বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনার সাক্ষী থেকেছে দুর্গাপুর
২০২০ সাল শেষ হওয়ার কয়েকটি মাত্র দিন বাকি। এ বছর করোনা ভাইরাস ছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে গিয়েছে কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনা। সেই সব ঘটনাগুলিকেই ফিরে দেখা আরও একবার। দেখে নেওয়া যাক দুর্গাপুরে এ বছর কি কি ঘটনা ঘটল।

দামোদর ব্যারেজের লকেট ভেঙে বিপত্তি
সম্প্রতি দামোদর ব্যারেজের ৩১ নম্বর লকেট ভেঙে বিপত্তি দেখা দেয়। জল ঢুকে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয় পূর্ব বর্ধমানের বেশ কিছু অংশে। তীব্র জল সঙ্কট তৈরি হয় দুর্গাপুরের বেশ কিছু অংশে। অবশেষে ১০২ ঘণ্টা পর যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় গেট মেরামতির কাজ।

অন্ডালে ধস
অন্ডালের জামবান এলাকায় গভীর ধসে তলিয়ে যায় গোটা আস্ত একটি বাড়ি। প্রায় এক হাজার ফুট জায়গা জুড়ে ৫০ থেকে ৬০ ফুট গভীর ধস হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ১৫টিরও বেশি বাড়ি। একজন মহিলা নিখোঁজ হন। সেই সঙ্গে অন্ডালের পরাশকোল কোলিয়ারিতে ধসের কারণে একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু হয়। তিনদিন পর তাঁদের মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

কয়লা পাচার তদন্তে সক্রিয় সিবিআই
কয়লা পাচার তদন্তের কিনারা করতে আরও সক্রিয় হয় সিবিআই। কয়লা কাণ্ডে জড়িত অন্যতম মাস্টারমাইন্ড লালা ওরফে অনুপ মাঝি ও তার ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায় সিবিআই। অনুপ মাঝিকে একাধিকবার নোটিশ পাঠালেও তিনি হাজিরা দেননি সিবিআই দপ্তরে। তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশও জারি করা হয়। তাঁকে ডেকে পাঠানো হলেও অনুপ মাঝি হাজিরা দেননি। লালার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নেয় সিবিআই। লালাকে হাতে না পাওয়া পর্যন্ত বেশ বেগ পেতে হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে।

জিতেন্দ্র তিওয়ারির ইস্তফা
আসানসোল পুরনিগম তথা দলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দেন পাণ্ডবেশ্বরের তৃণমূল বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। স্মার্ট সিটি প্রকল্পের অর্থ থেকে আসানসোলকে বঞ্চিত করেছে রাজ্য সরকার এই অভিযোগে এবং দলের বিভিন্ন পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ হয়ে ইস্তফা দেন তিনি। এরপর বিজেপি থেকে তাঁকে দলে নিতে আপত্তি জানানো হলে শেষপর্যন্ত ঘটনার একদিনের মধ্যে এই কাজের জন্য তিনি দুঃখপ্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে।

পশ্চিম বর্ধমানে করোনার প্রভাব
পশ্চিম বর্ধমান জেলায় করোনার বিশাল প্রভাব ফেলে। করোনায় আক্রান্ত সংখ্যাও ছিল বেশ উপরের দিকে। কোভিড চিকিৎসার জন্য শেষপর্যন্ত দুর্গাপুরের মোলানদিঘিতে আলাদা করে হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়। এরপর পশ্চিবর্ধমান জেলার বিভিন্ন স্থানে কোভিড চিকিৎসা কেন্দ্র বাড়ানো হয়।












Click it and Unblock the Notifications