গাড়ুই নদী সংস্কারের নামে টাকা নয়ছয় করে তৃণমূল? আর কী অভিযোগ করলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি?
আসানসোল পুরনিগম তাদের দায়িত্ব পালন করছে না। রাস্তাঘাট, পানীয় জলের উন্নয়ন থমকে রয়েছে। পাশাপাশি গাড়ুই নদী সংস্কার এখনও হয়নি। এই দাবিতে ধর্না অবস্থানে বসলেন বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি। রীতিমতো আক্রমণাত্মক মেজাজে এই নেতা। তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও আনলেন তিনি।
আসানসোল শহরের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে এই গাড়ুই নদী। কিন্তু সংস্কার দীর্ঘদিন ধরে হচ্ছে না এই নদীর। গত দু'বছর ধরে সংস্কার বন্ধ হয়ে রয়েছে। বর্ষাকালে এবার ভয়াবহ রূপ নিতে পারে এই নদী। আশঙ্কা প্রকাশ করেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। নদী সংস্কারের দাবিতে প্রতীকি ধর্না কর্মসূচি সোমবার করা হল৷

আসানসোল পুরনিগম ভোটের সময় এই নদী সংস্কার প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী এজেন্ডা ছিল। ২০২২ সালে তৃণমূল পুরনিগম জোর করে জেতে। তারপর থেকে উন্নয়নমূলক কাজ আসানসোলে হয়নি। নদী সংস্কারের নামে কমিটি গঠিত হয়েছে ঠিকই। কিন্তু সেই কমিটির বিশেষ কোনও ভূমিকা নেই। অভিযোগ করেছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি।
নদী সংস্কারের নামে ৫০ লক্ষ - এক কোটি টাকা ধার্য করা হয়। কিন্তু তৃণমূলের লোকজন সেই টাকা সরিয়ে ফেলেন। এমন মারাত্মক অভিযোগ করেছেন এই বিজেপি নেতা। এলাকায় পানীয় জলের সরবরাহ ঠিক নেই। রাস্তাঘাটের বেহাল দশা রয়েছে। চার মাস ধরে অনেকে বার্ধক্য ভাতা পাচ্ছেন না। এই অভিযোগও করেছেন আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র।
বেহাল নদীর দশার কারণে পাঁচ জন মারা গিয়েছেন অতীতে। এবার বর্ষায় আরও সমস্যা হতে পারে। সে কারণে অবিলম্বে সংস্কার করতে হবে এই নদীর। কেবল সামান্য মাটি তুলে দিলে কাজ শেষ হয়ে যাবে না। আগামী দিনে আরও বড় আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তিনি যখন মেয়র ছিলেন, তখন এমন অভিযোগ আসত না। বিরোধীরা কখনও ধর্না আন্দোলনে বসেননি। এই কথাও জোর গলায় দাবি করেছেন তিনি।
সোমবার আসানসোলের ধাদকা রোডের মঙ্গল পাণ্ডে সেতুর সামনে এই ধর্না কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। আসানসোল পুরনিগমের এমএমআইসি গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, এই গাড়ুই নদী সংস্কারের কাজ চলছে৷ ওনার কাজ নেই, সংগঠন নেই, ধর্ণা করছে। গরম কাল থেকে নদী সংস্কারের কাজ চলছে। সময় লাগে কাজ সম্পূর্ণ হতে। ওনার সময় এই নদীতে বন্যা হত।












Click it and Unblock the Notifications