খেলতে পারেন যে কোনও পিচে! ব্যাট হাতে নাম না করে কীর্তি আজাদকে নিশানা দিলীপ ঘোষের
মধ্যে একদিনের জন্য কলকাতা। তারপর আবার সকাল থেকে বর্ধমান-দুর্গাপুরে চায় পে চর্চার মাধ্যমে জনসংযোগ দিলীপ ঘোষের। এদিন তাঁকে পাওয়া যায় বর্ধমান শহরের লোকো ব্লিস মাঠে, ব্যাট হাতে। আর হবে নাই বা কেন! বিপক্ষের প্রার্থী যে ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের সদস্য কীর্তি আজাদ।
এদিন তিনি নাম না করে কীর্তি আজাদকে চ্যালেঞ্জও জানান। নতুন কেন্দ্র বর্ধমান-দুর্গাপুরে গিয়ে মেদিনীপুরের বিদায়ী সাংসদ দিলীপ ঘোষ বলেন, তিনি রিটায়ার্ডও নন, আর টায়ার্ডও নন. যে মাঠে যান, পিচ যেমন পান, খেলেন এবং জেতেন।

বিজেপির প্রার্থী তালিকায় নাম প্রকাশের পরে দিন কয়েক আগে তিনি প্রথমবারের জন্য বর্ধমান দুর্গাপুরের বিস্তীর্ণ অংশে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করতেও দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলের ১০ জনের প্রতিনিধিদল কলকাতায় নির্বাচন কমিশনের দফতরে যায়। যা নিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনকে মেসোমশাই বলেও কটাক্ষ করেন।
বুধবার মর্নিং ওয়াকে ছিলেন বর্ধমানে কাটানোর পরে বৃহস্পতিবার অবশ্য ফের ইকো পার্কে পাওয়া যা তাঁকে। সেই সময় কটাক্ষের সুরে দিলীপ ঘোষ বলেন, ইউসুফ পাঠান থাকে গুজরাতে। একটা শব্দ বোঝেন না, বাংলায় তাঁকে নিয়ে এসেছে। তিনি আরও বলেন তৃণমূলের টিকিটে কেউ দাঁড়াতে চাইছে না। প্রার্থী পাচ্ছে না শাসক দল।
শনিবার সকালে বর্ধমানে মর্নিং ওয়াকে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ ক্রিকেট খেলতে নেমে পড়েন। এরপর তাঁকে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ ঘোষ বলেন, তিনি এখনও সেইভাবেই খেলেন, যে মাঠে যান, সেই মাঠে খেলেন। যেমন পিচ পান, সেই পিচে খেলেই জেতেন। তিনি আরও বলেন, ইঞ্জিতে ইঞ্চিতে জবাব দেবেন। আর ওরা (তৃণমূল) তালই পাবে না কখন নির্বাচন পার হয়ে য়াবে।
শনিবার খেলার শেষে লোকো চিলড্রেন্স পার্কে গিয়ে গান শোনে এবং পার্ক অপরিষ্কার দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি এক রেলকর্মীকে বলেন, সপ্তাহে একদিন পার্ক পরিষ্কার করতে পারেন না! কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, রবিবারে মধ্যে পার্ক পরিষ্কার করা না বলে, সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে।
প্রাতর্ভ্রমণের মধ্যে দিলীপ ঘোষকে গান শোনান বর্ধমান ডিজেল সেডের কর্মী মুক্তো মেটে। গান শুনিয়ে খুশি মুক্তো মেটে। তিনি বলেন, সকালে মাঠে যাওয়া ও গান শোনা ভালো মনের পরিচয়।












Click it and Unblock the Notifications