কংক্রিটের জঙ্গল, তার মধ্যেই সবুজের হাতছানি, খেলা করছে হাঁস, পুজোর ভাবনায় নজির
বড় গাছের সংখ্যা দিন দিন কমছে। মানুষের জীবনে উন্নয়নের নামে কাটা হচ্ছে গাছ। সবুজ ধ্বংসের খেলায় যেন মেতে উঠেছে চারদিক। সবুজকে বাদ দিয়ে কিছু করা যাবে না। মানুষকে বাঁচতে হলে, সবুজকেও রক্ষা করে রাখতে হবে। এবার সেই বার্তাই পুজো মণ্ডপে।
চতুর্দিকে কলকারখানা। গগনচুম্বী বিশাল বিশাল ইমারত। শিল্পাঞ্চল দুর্গাপুরে গাছের সংখ্যা আগাগোড়াই কম। গত কয়েক বছরে সেই সংখ্যা আরও কমে গিয়েছে। পরিবেশ যেন আরও দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে। যেন আস্তে আস্তে কমছে সবুজের পরিমাণ। যত দিন যাচ্ছে, ততই কংক্রিটের জঙ্গলে হারিয়ে যেতে বসেছে সবুজ গাছপালা।

নগরায়ণের যুগে সবুজায়ণের বার্তা। হ্যাঁ। এটাই সত্যি। চারদিকে ইমারতের ভিড়। তার মধ্যেই যেন একটুকরো ওয়েসিস। গাছপালা দিয়ে ঢাকা। বাড়ির চাল দিয়ে সবুজ লতানো গাছ বেয়ে চলেছে। পাশেই এক টুকরো ছোট্ট পুকুর। সেখানে আবার খেলে বেড়াচ্ছে হাস। কী মন খুশি হয়ে যাচ্ছে তো?
এভাবেই সাজানো হয়েছে দেবী দুর্গার পুজো মণ্ডপ। থিমের বাহার শহর কলকাতা থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। আর সেখানে এবার সবুজের হাতছানি। দুর্গাপুরের শ্যামপুর আদিবেদি ক্লাবের মণ্ডপে সবুজায়ণের বার্তা দেওয়া হয়েছে। সবুজের মধ্যে দেবী দুর্গাও হয়ে উঠেছেন অনন্য।
দুর্গাপুরের শ্যামপুর আদিবেদি ক্লাবের মণ্ডপে সবুজায়নের বার্তা দেওয়া হয়েছে। এই মণ্ডপ যেন বলছে, গাছ লাগান, সাজিয়ে তুলুন এই শহরকে। চারিদিকে ভরিয়ে তুলুন সবুজে। গোটা মণ্ডপ জুড়েও শুধু সবুজের সমারোহ। শিল্পী সবুজায়নের বার্তা মাথায় রেখে এই মণ্ডপ সাজিয়েছেন। সঙ্গে রয়েছে সামঞ্জস্যপূর্ণ আলোকসজ্জা। পুজোর এই মণ্ডপ ইতিমধ্যেই খুলে দেওয়া হয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য। প্রকৃতির আদি কেন্দ্র মহামায়ার আরাধনায় ডাক দেওয়া হয়েছে পরিবেশ বাঁচানোর।
দুর্গাপুরের গরম অত্যন্ত বেড়ে গিয়েছে।পরিবেশবিদরা বলছেন, সবুজ ছাড়া এই শহরকে সুন্দর রাখা যাবে না। সুস্থ ভাবে বাঁচতে পারবেন না মানুষজন। তাই এবার বৃক্ষরোপণের আবেদন নিয়ে অভিনব চিন্তাভাবনা দুর্গাপুজোয়। পুজোর থিমে সবুজায়ণের বার্তা।












Click it and Unblock the Notifications